সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ইম্পিরিয়াল আরকিট ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
চিরকুটে আবুল হোসাইন উল্লেখ করেন, গত কয়েক মাস ধরে তিনি বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে ছিলেন। বিশেষ করে মোহাম্মদপুর জিবি শাখার দায়িত্ব নেওয়ার পর ঋণ দেওয়া-না দেওয়া, বদলিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তিনি চাপে ছিলেন।
বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে পাওনা টাকা না পাওয়ার বিষয়টিও চিরকুটে উল্লেখ করেন তিনি। এ ছাড়া ২০২১ সালের একটি চেকসংক্রান্ত মামলার বিষয়েও তিনি লিখেছেন।
চিরকুটে আবুল হোসাইন জানান, লালদিঘী শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক হিসেবে তার ও কয়েকজন সহকর্মীর নামে সম্প্রতি একটি সিআর মামলা হয়েছে। বিষয়টি তিনি দুই সপ্তাহ আগে জানতে পারেন। ওই ঘটনায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করে মামলাটির কারণে গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে দুশ্চিন্তায় ঘুমাতে পারছিলেন না বলেও চিরকুটে উল্লেখ করেন তিনি।
চিরকুটের শেষাংশে তিনি তার মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী না করার কথা উল্লেখ করে সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
হালিশহর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোশাররফ হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং উদ্ধার করা চিরকুটের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।







