ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দ্রুত সময়ে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
বুধবার (১৯ আগস্ট) তিনি বলেছেন, কোলকাতার হোটেল অগ্নিকাণ্ডে নিহত শনাক্ত বাংলাদেশিদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হবে, পরিবার চাইলে এর খরচ বহন করবে সরকার।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ২টার দিকে কলকাতার নিউমার্কেটের পাশে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে আগুন লাগে। এ ঘটনায় নয়জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি নাগরিক বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ। নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে চারজন একই পরিবারের সদস্য।
পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিকের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে, তাদের মধ্যে চারজন কুষ্টিয়া ও একজন ঢাকার অধিবাসী। বাংলাদেশের যে পাঁচ নাগরিকের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে, তারা হলেন—কুষ্টিয়ার দেবাশিস দত্ত, আফসানা শিম্মিন, শর্ণশিষ দত্ত, মো. আকরাম আলী ও ঢাকার সাভারের আহমেদ বাবু।
স্থানীয় পুলিশের বরাতে বুধবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত ও আহতদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেন।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত মোট নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি নাগরিকের পরিচয় নিশ্চিত করেছে স্থানীয় পুলিশ। উপ-হাইকমিশনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, বাংলাদেশি নাগরিকদের সার্বক্ষণিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তারা হাসপাতাল ও স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। এরইমধ্যে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন একটি সার্বক্ষণিক হেল্পলাইন চালু করেছে।
ঘটনার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন সংশ্লিষ্ট ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছে।







