মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ উদ্দিনের ভাতিজা রেজাউল করিম বলেন, ‘সকাল ৯টার দিকে চাচাকে নিয়ে গুপ্তছড়া ঘাটে আসি।
এদিকে প্রয়োজনীয় ড্রেজিং না থাকায় আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ার পরও জাহাজ চলাচলের নির্ধারিত সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়। একই পরিস্থিতি ছিল ফেরি সার্ভিসেও। জোয়ারের সময় বিকেল ৫টায় ফেরি ছাড়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
সন্দ্বীপ থানার ওসি সুজন হালদার বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমজাদ হোসেন বলেন, চিকিৎসার সুযোগ না পেয়ে মৃত্যুর ঘটনা কোনোভাবে কাম্য নয়। বোট চলাচলের বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছি। আশা করি দ্রুত চালু হবে।







