জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মিউজিক্যাল পারফরম্যান্সের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই) আমেরিকান দূতাবাস এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং বাংলাদেশ আমাদের একটি পরীক্ষিত বন্ধু। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর মানবিক সংকটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সহায়তা ও পাশে থাকা আমাদের এই গভীর অংশীদারিরই প্রমাণ। আমরা বিশ্বাস করি, পারস্পরিক স্বার্থ এবং অভিন্ন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আগামীতে আরো সুদৃঢ় হবে, যেখানে দুই দেশের টেকসই উন্নয়ন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক অঙ্গনে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের নিরবচ্ছিন্ন অবদান ও যৌথ অঙ্গীকার প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে।
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গণতন্ত্র, উন্নয়ন এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বিদ্যমান।
তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ ভবনের আইকনিক স্থাপনার সামনে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের আয়োজন দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা, বন্ধুত্ব ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতীক। এই আয়োজন বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের গভীরতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ বহিঃপ্রকাশ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাম্বাসাডর বলেন, ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই আমাদের প্রতিষ্ঠাতারা ঘোষণা করেছিলেন ‘সব মানুষ সমান’। আর আজ আমেরিকার ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির আলোকেই আমরা বৈশ্বিক অংশীদারি জোরদার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ঐতিহাসিক ক্ষণে আমরা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করতে চাই, যেখানে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের টেকসই নিরাপত্তা অংশীদারি ও আঞ্চলিক শান্তি রক্ষা আমাদের ভবিষ্যৎ সহযোগিতার প্রধান স্তম্ভ হিসেবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে ককাস সদস্যবৃন্দ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যগণ, মার্কিন ও অন্যান্য দেশের কূটনৈতিকবৃন্দ, সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।







