বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথমবারের মতো হ্যাটট্রিক করে আর্জেন্টিনাকে দারুণ সূচনা এনে দিলেও ম্যাচ শেষে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি লিওনেল মেসি। তবে তার আবেগঘন মুহূর্তের কারণ মাঠের সাফল্য নয়, বরং বাবা হোর্হে মেসির শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ। খবর দ্য সানের।
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে আর্জেন্টিনা ৩-০ গোলে হারায় আলজেরিয়াকে। ম্যাচে তিনটি গোলই করেন ৩৮ বছর বয়সী মেসি। এটি ছিল বিশ্বকাপে তার ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক এবং এর মাধ্যমে গোল্ডেন বুটের দৌড়েও এগিয়ে যান তিনি।
কিন্তু শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। পরে তিনি জানান, বিষয়টি ফুটবলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ম্যাচ শেষে মেসি বলেন, ‘সত্যি বলতে, এটি খেলাধুলার বাইরের একটি বিষয়। গত কয়েক দিন খুব কঠিন ও জটিল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।’
আর্জেন্টিনার একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি বাবার স্বাস্থ্যগত সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। মেসি বলেন, ‘আমার বাবা ভালো নেই। গত বছর থেকে, বেশ কয়েক মাস ধরেই তিনি শারীরিক সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। এই সপ্তাহে তার অবস্থার কিছুটা অবনতি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমি ভেতরে ভেতরে লড়াই করছি। আমি তো আর সবার মতোই একজন মানুষ।’
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন ৬৮ বছর বয়সী হোর্হে মেসি। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং হৃদরোগ ও স্নায়ুবিষয়ক বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। তবে পরিবার তার নির্দিষ্ট রোগ সম্পর্কে প্রকাশ্যে কোনো তথ্য দেয়নি।
মেসির ফুটবল জীবনের শুরু থেকেই ছায়াসঙ্গী ছিলেন তার বাবা। শুধু অভিভাবক হিসেবেই নয়, বরং কোচ, পরামর্শদাতা এবং পরবর্তীতে এজেন্ট ও ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।







