রোমানিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিদের বৈধ হওয়ার সুযোগ

বাংলাদেশিসহ বিদেশি কর্মীদের জন্য সুখবর দিয়েছে রোমানিয়া। গত ২৩ এপ্রিল প্রকাশ হয় ওই জরুরি অধ্যাদেশ। তবে ২৭ এপ্রিল অফিসিয়াল গেজেট প্রকাশ পায়। সেখানে বলা হয়, রাজক্ষমা (এমনেস্টি) কর্মসূচির আওতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) এ তথ্য জানায় বুখারেস্টে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। এ সুবিধা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

সেখানে অনুচ্ছেদ ৫২ অনুযায়ী, নন-ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ থেকে আসা যেসব বিদেশি কর্মী বিভিন্ন কারণে অবৈধ অবস্থায় চলে গেছেন, তাদের জন্য শর্তসাপেক্ষে বৈধ হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ দূতাবাস এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।

 ফলে অবৈধভাবে বসবাসরত বহু বাংলাদেশি কর্মী তাদের অবস্থান বৈধ করার সুযোগ পাবেন।বিশেষ করে, যেসব কর্মী বৈধভাবে রোমানিয়ায় প্রবেশ করার পর অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে অবৈধ হয়ে পড়েছেন, তারা এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ, কেউ যদি ওয়ার্ক ভিসায় রোমানিয়ায় প্রবেশ করার পর সংশ্লিষ্ট কম্পানি তাকে নিয়োগ দিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং ৯০ দিনের মধ্যে নতুন কোনো নিয়োগকর্তা খুঁজে না পান, তাহলে তিনি স্বাভাবিকভাবেই অবৈধ হয়ে পড়েন।

আরও পড়ুন:  আমরাই সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি: মোদিকে মেলোনি

দূতাবাস জানায়, এমন অনেক ক্ষেত্র রয়েছে যেখানে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান কর্মীর বেতন থেকে ট্যাক্স কেটে নিলেও তা সরকারকে জমা দেয় না, অথবা সময়মতো কিংবা সঠিকভাবে টিআরসি আবেদন সম্পন্ন করে না।

এর ফলেও অনেক কর্মী অনিচ্ছাকৃতভাবে অবৈধ হয়ে পড়েন।এ প্রেক্ষাপটে, এসব কর্মীকে নতুন আইন শুরুর ৬০ দিনের মধ্যে রোমানিয়া ইমিগ্রেশনে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে তাদের অবশ্যই একটি নতুন ও বৈধ নিয়োগকর্তা খুঁজে নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অধীনে ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করে পরবর্তী সময় টিআরসি কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে।

দূতাবাস জানিয়েছে, যেহেতু এ ব্যবস্থা নতুন, তাই প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু জটিলতা দেখা দিতে পারে।

সে কারণে প্রয়োজনে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:  আইএমএফ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মূল্যের সমন্বয় চায়

উল্লেখ্য, যেসব ব্যক্তি এরই মধ্যে ‘রিটার্ন ডিসিশন’ (দেশত্যাগের নির্দেশ) পেয়েছেন বা যারা অবৈধভাবে রোমানিয়ায় প্রবেশ করেছেন, তারা এ সুবিধার আওতায় পড়বেন না। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে রোমানিয়ার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 × four =