সম্প্রতি প্রকাশিত ওই গবেষণায় প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার মানুষের ৩০ বছরের স্বাস্থ্য ও শরীরচর্চার তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন গবেষকেরা। এতে দেখা গেছে, যারা বিভিন্ন ধরনের ব্যায়াম ও শারীরিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন, তাদের মৃত্যুঝুঁকি ছিল তুলনামূলক কম।
আলাদা ব্যায়ামের প্রভাব বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, যারা সবচেয়ে বেশি হাঁটতেন, তাদের মৃত্যুঝুঁকি সবচেয়ে কম হাঁটতেন এমন ব্যক্তিদের তুলনায় ১৭ শতাংশ কম। একইভাবে বেশি দৌড়ানো ব্যক্তিদের ঝুঁকি ছিল ১৩ শতাংশ কম। শক্তিবর্ধক ব্যায়াম, নৌকা চালানো এবং টেনিস খেলার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।
তবে গবেষণাটির একটি সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। এটি নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচালিত হয়নি; বরং দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের জীবনযাপন ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য পর্যবেক্ষণ করে ফলাফল নির্ণয় করা হয়েছে। ফলে ব্যায়ামের বৈচিত্র্যের সঙ্গে মৃত্যুঝুঁকি কমার সম্পর্ক পাওয়া গেলেও একে সরাসরি কারণ ও ফলাফলের প্রমাণ বলা যায় না।
গবেষণার প্রধান লেখক ইয়াং হুর মতে, সবার জন্য ব্যায়ামের একটি নির্দিষ্ট সমন্বয় নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা, সক্ষমতা ও পছন্দ অনুযায়ী ব্যায়ামের ধরন বেছে নেয়া উচিত।
অর্থাৎ দীর্ঘায়ুর জন্য শুধু ব্যায়ামের সময় বাড়ানো নয়, শরীরচর্চায় বৈচিত্র্য আনাও গুরুত্বপূর্ণ। যে ব্যায়ামগুলো আনন্দের সঙ্গে নিয়মিত করা সম্ভব, সেগুলোর সমন্বয়ই দীর্ঘদিন সুস্থ থাকার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারে।







