এর আগে দেশের ইতিহাসে একবার রাষ্ট্রপতি পদে ভোট হয়। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে সংসদ সদস্যদের ভোটে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন আবদুর রহমান বিশ্বাস। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করলেও জয়ের সুযোগ নেই। কারণ সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে বিএনপির। ফলে তাদের সমর্থনের বাইরে কার্যত : রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ নেই।
বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
প্রার্থী একজন হলে ভোটের প্রয়োজন হয় না
রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রার্থী একজন হলে এবং যাচাইয়ে তার মনোনয়নপত্র বৈধ বিবেচিত হলে কমিশন তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করবে। তবে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হলে নির্বাচনের জন্য তাদের নাম ঘোষণা করবে কমিশন।
তখন সংসদ অধিবেশন না থাকলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন হলে স্পিকার ৭ দিন আগে বৈঠক আহ্বান করতে পারেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হবে বলে ইতিমধ্যে গণমাধ্যমে জানিয়েছেন সরকারি দলের চিফ হুইফ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি জানান, অধিবেশনটি স্বল্পমেয়াদি হবে।
তফসিল
আগামী ২০ অগাস্ট ভোটগ্রহণের তারিখ রেখে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, আগ্রহী প্রার্থীরা ১৩ অগাস্ট মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। ১৬ অগাস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে এবং ১৮ অগাস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এক প্রার্থী একাধিক মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেন, বাছাইয়ে একটি চূড়ান্ত হবে। ভোট হবে ২০ অগাস্ট সংসদ অধিবেশন কক্ষে।







