শেষ বাঁশি বাজতেই সতীর্থদের সঙ্গে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন লিওনেল মেসি। আটলান্টা স্টেডিয়ামের একটি বক্সে বসে সেই আনন্দে শামিল হন তার স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জোও।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের চোখে তখন হতাশা আর ক্ষোভ। আর আর্জেন্টিনা? টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার আনন্দে উদ্যাপনে মেতে ওঠে।
৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। তবে আর্জেন্টিনা সব রোমাঞ্চ জমিয়ে রাখে শেষ ১০ মিনিটের জন্য। ৮৫ মিনিটে এনসো ফের্নান্দেস দুর্দান্ত গোলে ফেরান সমতা। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন লাউতারো মার্তিনেস।







