যুক্তরাষ্ট্রে মেসিদের জন্যে ৫০০ কেজি গরুর মাংস পাঠিয়েছে আর্জেন্টিনা

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রে নিজেদের বেসক্যাম্পে ৫০০ কেজি খাঁটি আর্জেন্টাইন গরুর মাংস পাঠিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ফুটবলারদের পরিচিত খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখতে এবং সর্বোচ্চ ফিটনেস নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই শুধু মাঠের লড়াই নয়, দলের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে খাবার ও পুষ্টি ব্যবস্থাপনাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সেই ধারাবাহিকতায় উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ বিশ্বকাপেও নিজেদের ঐতিহ্যবাহী খাবারের ওপর নির্ভর করছে আর্জেন্টিনা।

আর্জেন্টাইনদের জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী খাবার ‘আসাদো’, যা কয়লার আগুনে সেঁকা বা বারবিকিউ করা গরুর মাংস। দেশটির ফুটবলারদের খাদ্যতালিকায় এ খাবারের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই বিভিন্নভাবে প্রক্রিয়াজাত ও কাটা ৫০০ কেজি গরুর মাংস যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে অবস্থিত আর্জেন্টিনার বেসক্যাম্পে পৌঁছানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:  মুশফিক-মায়ার্সের ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ বরিশালের

তবে যুক্তরাষ্ট্রে খাদ্যপণ্য আমদানির কঠোর বিধিনিষেধ থাকায় দেশটির ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) নীতিমালা মেনেই চালানটি পাঠানো হয়েছে।

এর আগে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে যৌথভাবে প্রায় ৯০০ কেজি মাংস মধ্যপ্রাচ্যে নিয়ে গিয়েছিল।

খাদ্য প্রস্তুতির এই আয়োজনের বাইরে নেই ইউরোপীয় দলগুলোও। নরওয়ে দল তাদের খেলোয়াড়দের জন্য দেশ থেকে ৩০০ কেজি স্যামন মাছ, ৬০০টি কমলা এবং ১১৬ কেজি ঐতিহ্যবাহী পনির যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলোয়াড়দের পরিচিত খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা পারফরম্যান্স, শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক স্বস্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এবারের বিশ্বকাপে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি দলগুলোর এই ‘খাদ্য কূটনীতি’ও ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহের কেন্দ্রে জায়গা করে নিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *