দেশে মুক্তিযোদ্ধা ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৭ জন: সংসদে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এমআইএসে সংরক্ষিত সমন্বিত তালিকা অনুসারে বর্তমানে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৭ জন মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে সরকার দলীয় এমপি এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান মন্ত্রী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিভিন্ন ভাতার কথা তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘আপাতত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় নেই।’

পৃথক পৃথক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো গেজেটধারী মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অভিযোগ পাওয়া গেলে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত উপকমিটি কর্তৃক তদন্ত/শুনানির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে অমুক্তিযোদ্ধা প্রমাণিত হলে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা হতে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ৮৪২টি অমুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত অভিযোগের আবেদন জামুকায় প্রেরণ করা হয়েছে। সেগুলো জামুকায় যাচাই-বাছাই এবং তদন্ত তরে ৪৮১ জনের গেজেট/লালমুক্তিবার্তা/ভারতীয় তালিকা বাতিল করা হয়েছে। জামুকা প্রতিষ্ঠার পর হতে এ পর্যন্ত ১০৩টি সভার মাধ্যমে ৬ হাজার ৪৬৫ জনের গেজেট বাতিলের সুপারিশ করেছে।’

আরও পড়ুন:  বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমেছে

বিরোধী দলের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, বিসিআইসি ডিলারদের বিরুদ্ধে বেশি দামে সার বিক্রয়ের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। প্রতিটি সার ডিলারের বিক্রয় পয়েন্টে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সার বিক্রয় কার্যক্রম চলমান আছে এবং প্রতিটি সার ডিলার পয়েন্টে দৃশ্যমান জায়গায় লালসালু কাপড়ে অথবা ব্যানারে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সারের মূল্য তালিকা ঝুলানো আছে এবং প্রকৃত কৃষক যাচাইপূর্বক ক্যাশ মেমোতে নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ নিশ্চিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি দোকান পরিদর্শনকালে মূল্যসহ ক্যাশ মেমোতে উল্লেখিত তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। বেশি মূল্যে সার বিক্রয়ের সুযোগ নাই।

উপজেলা ভূমি অফিসগুলোতে জেঁকে বসা দুর্নীতি ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। ই-নামজারি থেকে শুরু করে হটলাইন ১৬১২২ পর্যন্ত মোট ১১টি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের মাধ্যমে এই খাতের অনিয়ম দূর করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। এনসিপির সদস্য সদস্য আখতার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও জানান, ভূমি অধিগ্রহণ এবং লিজ অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমকেও সফটওয়্যারের আওতায় আনার কাজ চলছে। এই ডিজিটাল রূপান্তর সম্পন্ন হলে ভূমি খাতে দুর্নীতির সুযোগ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আরও পড়ুন:  ভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হবে: বাহাউদ্দীন নাছিম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *