রমজান মাস রহমত, বরকত ও নেক আমল বৃদ্ধির মাস। এই মাসে দান-সদকা, কোরআন তিলাওয়াত এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করার গুরুত্ব বিশেষভাবে বৃদ্ধি পায়। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ জীবনে রমজানের এই শিক্ষা বাস্তবভাবে তুলে ধরেছেন। তাঁর দানশীলতা ও উদারতা ছিল মানবজাতির জন্য অনন্য আদর্শ।
عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَجْوَدَ النَّاسِ وَكَانَ أَجْوَدُ مَا يَكُوْنُ فِيْ رَمَضَانَ حِيْنَ يَلْقَاهُ جِبْرِيْلُ وَكَانَ جِبْرِيْلُ يَلْقَاهُ فِيْ كُلِّ لَيْلَةٍ مِنْ رَمَضَانَ فَيُدَارِسُهُ الْقُرْآنَ فَلَرَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم حِيْنَ يَلْقَاهُ جِبْرِيْلُ أَجْوَدُ بِالْخَيْرِ مِنْ الرِّيحِ الْمُرْسَلَةِ
ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের মধ্যে সবচেয়ে দানশীল ছিলেন। আর রমজান মাসে যখন জিব্রীল (আ.) তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন তখন তিনি আরো অধিক দানশীল হয়ে যেতেন। জিব্রীল (রা.) রমজানের প্রতি রাতে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন।
প্রথমত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব সময়ই অত্যন্ত উদার ছিলেন।
তৃতীয়ত, হাদিসে বলা হয়েছে যে, তিনি মানুষের কল্যাণে প্রবহমান বাতাসের চেয়েও বেশি দানশীল ছিলেন।
তাই আসুন, আমরা রমজানের এই শিক্ষা হৃদয়ে ধারণ করি। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী দান-সদকা করি, বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত করি এবং দরিদ্র-অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই। রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর আদর্শ অনুসরণ করে যদি আমরা উদারতা ও মানবকল্যাণের চর্চা করি, তাহলে সমাজে রহমত, সহমর্মিতা ও বরকত বৃদ্ধি পাবে।







