ঈদুল আজহায় সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৫ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক এই সময়ে এটিএম, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, পয়েন্ট অব সেলস (পস), কিউআর কোড ও অনলাইন ই-পেমেন্ট গেটওয়ে সেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের এজেন্ট পয়েন্টেও পর্যাপ্ত টাকা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। এই সময়ে নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ঈদের আগে বৃহস্পতিবার ব্যাংকে নিয়মিত লেনদেন শেষ হবে। শুক্র, শনি ও রোববার ঢাকার তৈরি পোশাক-সংশ্লিষ্ট এবং পশুর হাট-সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো খোলা থাকবে। সাধারণত ঈদের বন্ধে অনলাইন লেনদেনে চাপ বাড়ে এবং টাকা না পাওয়া সহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।

নির্দেশনাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

বিকল্প সেবা: এটিএম, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, পয়েন্ট অব সেলস (পস), কিউআর কোড ও অনলাইন ই-পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে সেবা অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন:  রামাফোসা দ.আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট হওয়া প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (MFS): এজেন্ট পয়েন্টে পর্যাপ্ত টাকা রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

এসএমএস অ্যালার্ট: যে কোনো ধরনের লেনদেনের ক্ষেত্রে এসএমএস অ্যালার্টের মাধ্যমে গ্রাহকদের অবহিত করতে হবে।

হেল্পলাইন: সব সময় হেল্পলাইন চালু রাখতে হবে, যাতে গ্রাহকরা যে কোনো সমস্যার সমাধান পেতে পারেন।

এটিএম বুথের নিরাপত্তা: এটিএম বুথে সার্বক্ষণিক পাহারাদারসহ অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

বুথ পরিদর্শন: প্রয়োজনে ব্যাংক কর্মকর্তারা বুথ পরিদর্শন করবেন।

সচেতনতা বৃদ্ধি: পয়েন্ট অব সেলস এবং কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন ও জাল-জালিয়াতি রোধে মার্চেন্ট ও গ্রাহকদের সচেতন করতে হবে।

ঈদের বন্ধের সময় সাধারণত এটিএম এবং অনলাইন লেনদেনে চাপ বেড়ে যায়, তাই এই ব্যবস্থাগুলো নিশ্চিত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকগুলো যাতে গ্রাহকদের হয়রানি মুক্ত সেবা দিতে পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য এই পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:  গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি নচিকেতা চক্রবর্তী

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *