ফসল কাটার মৌসুম সামনে রেখে বিদেশি কৃষি শ্রমিকদের ভিসা দ্রুত দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ির কারণে ভিসা প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হওয়ায় দেশটির কৃষিখাতে শ্রমিক সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। নতুন এই উদ্যোগে সেই চাপ কিছুটা কমবে বলে আশা করছেন কৃষক ও খামার মালিকরা।
অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম বড় গম রপ্তানিকারক। পাশাপাশি দেশটি বিপুল পরিমাণ ক্যানোলা ও বার্লি রপ্তানি করে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শীতকালীন ফসল কাটার কাজ শুরু হবে। এই সময়ে খামারগুলোতে অতিরিক্ত শ্রমিকের চাহিদা তৈরি হয়।
সম্প্রতি অভিবাসন কমাতে সরকার ওয়ার্কিং হলিডে ভিসাসহ বিভিন্ন ভিসা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনে। এতে কিছু ভিসার প্রক্রিয়াকরণের সময় কয়েক দিন থেকে বেড়ে প্রায় তিন মাস পর্যন্ত হয়েছে। কৃষক সংগঠনগুলো সতর্ক করে বলেছিল, সময়মতো শ্রমিক না এলে ফসল মাঠেই নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
নতুন ব্যবস্থায় জরুরি কৃষি শ্রমিকের প্রয়োজন রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠান ও খামার মালিকরা দ্রুত ভিসা প্রক্রিয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। বিশেষ করে কৃষিকাজে অভিজ্ঞ এবং ইতোমধ্যে কোনো খামারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ বিদেশি শ্রমিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ফার্মার্স ফেডারেশন জানিয়েছে, দেশটির খামারগুলোর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ মৌসুমি বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভরশীল। তাই ফসল কাটার নির্দিষ্ট সময়ে শ্রমিক পাওয়া কৃষি উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র : রয়টার্স







