সংসার, অভাব-অনটন আর সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ার চাপে যে পড়াশোনা কৈশোরেই থেমে গিয়েছিল, দীর্ঘ কয়েক দশক পর ৫৪ বছর বয়সে সেই অধ্যায় নতুন করে লিখলেন তিনি।
নিজের এ অর্জনের বিষয়ে আলী আকবর বলেন, সংসারের হাল ধরতে গিয়ে এক সময় পড়াশোনা ছাড়তে হয়েছিল। কিন্তু মনের ভেতর পড়াশোনার ইচ্ছাটা সব সময়ই ছিল। আমি প্রমাণ করতে চেয়েছি, মনোবল ও মনোযোগ থাকলে যেকোনো বয়সেই সফল হওয়া সম্ভব।
এদিকে বাবা আলী আকবরের এমন সাফল্যে গর্বিত তার ছেলে সরকারি চিকিৎসক ইসমাইল হোসেন। তিনি বলেন, বাবা নিজের সব স্বপ্ন বিসর্জন দিয়েছিলেন আমাদের প্রতিষ্ঠিত করতে। তার মনের গভীরে পড়াশোনার যে তৃষ্ণা ছিল, তা পূরণ করতেই তাকে স্কুলে ভর্তি করিয়েছিলাম। আমরা চাই, বাবা এখন উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাক।
স্থানীয়রা বলছেন, ৫৪ বছর বয়সে আলী আকবরের এ সাফল্য প্রমাণ করল, হার না মানা মানসিকতা আর অধ্যাবসায় থাকলে বয়স কেবল একটি সংখ্যা মাত্র। তার এ গল্প এখন এলাকার অনেকের জন্যই বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকলো।







