প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মিল-কারখানা না থাকলে কর্মসংস্থান সম্ভব নয়। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা শিল্পায়ন ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের অন্যতম পূর্বশর্ত’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বাঁশখালীর হাসপাতাল আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।
দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। আগামী ১০ বছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়নে কী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তা সংসদে উপস্থাপন করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করার চেষ্টা না করে কারো বিকল্প পরিকল্পনা থাকলে তা জনগণের সামনে উপস্থাপন করা উচিত।’
দেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এখন জনগণের জন্য কাজ করার এবং দেশ গঠনের সময়। অনেক দেশ বাংলাদেশের পরে স্বাধীন হয়েও পরিশ্রমের মাধ্যমে এগিয়ে গেছে। তাই আর পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই।’
জনগণের জীবনমান ও দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে তার সরকারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির কাছে সব ক্ষমতার উৎস জনগণ। জনগণ সঙ্গে থাকলে সব কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত শ্রমিকের হাতে পরিণত করে কর্মসংস্থান করা হবে। প্রত্যেক মানুষ কাজের মাধ্যমে নিজের পরিবারের ভাগ্য উন্নয়ন করতে পারবে। সেই বাংলাদেশ আমরা গড়তে চাই।’
অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক, চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি) আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১৩ (চন্দনাইশ) আসনের সংসদ সদস্য মো. জসিম উদ্দিন, আনোয়ারার সংসদ সদস্য সাওয়াব জামান নিজাম, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরিসহ বিএনপির স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।







