এমবাপে-দেম্বেলেকে নিয়ে সেনেগালের মুখোমুখি ফ্রান্স

১৯৯৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ২০০২ সালে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নেমেছিল ফ্রান্স। কিন্তু বিশ্বকাপের নিজেদের প্রথম ম্যাচে ঘটে অঘটন। সেনেগালের কাছে ওই হারের ধাক্কা কাটাতে না পেরে গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে যায় তারা। দীর্ঘ ২৪ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফের একবার মুখোমুখি ফ্রান্স-সেনেগাল। হ্যাটট্রিক ফাইনালের মিশন ফরাসিদের, একই সঙ্গে তিন আসরে দ্বিতীয় শিরোপা জয়ে চোখ। 

বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় দুই দল মুখোমুখি হবে। দুই দলই একাদশ ঘোষণা করেছে। শক্তিশালী দল নিয়েই মাঠে নামছে ইউরোপ ও আফ্রিকার জায়ান্টরা।

দিদিয়ে দেশমের দল এবার টুর্নামেন্টের অন্যতম হট ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবে। সাম্প্রতিক ফর্ম তাদের দারুণ আশাবাদী করে তুলছে। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে শেষ ৪ ম্যাচের ৩টিতেই জিতেছে তারা। যার মধ্যে কলম্বিয়া (৩-১) এবং ব্রাজিলের (২-১) বিরুদ্ধে জয় অন্যতম।

আরও পড়ুন:  ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু

তাদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে উত্তর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানের জয়ের দিনে হ্যাটট্রিক করে দুর্দান্ত ফর্মে ফিরেছেন মাইকেল ওলিসে। অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের গতি এবং ওলিসে-দেম্বেলেদের আক্রমণভাগ যেকোনো রক্ষণভাগ ভেঙে চুরমার করতে প্রস্তুত। তবে ফরাসিদের একমাত্র চিন্তার কারণ তাদের রক্ষণভাগ। শেষ ৫টি ম্যাচেই তারা অন্তত একটি করে গোল হজম করেছে।

পাপে থিয়াওয়ের অধীনে সেনেগাল দলে রয়েছে শারীরিক শক্তি ও কৌশলের দারুণ ভারসাম্য। যদিও তাদের সাম্প্রতিক প্রস্তুতি খুব একটা ভালো ছিল না। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৩-২ গোলে হার এবং সৌদি আরবের সাথে ০-০ ড্র, তবুও সাদিও মানে এবং চেলসি তারকা নিকোলাস জ্যাকসনের কাউন্টার-অ্যাটাকিং জুটি ফ্রান্সের দুর্বল রক্ষণে ফাটল ধরাতেই পারে। রক্ষণে কালিদু কুলিবালির নেতৃত্ব এমবাপের গতিকে আটকানোর মূল অস্ত্র হবে।

আরও পড়ুন:  ইরানের পথে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বহর

কাগজে-কলমে এবং শক্তির বিচারে ফ্রান্স অনেক এগিয়ে থাকলেও সেনেগালের শারীরিক ফুটবল ও কাউন্টার অ্যাটাক দেশমের দলকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলবে। তবে এমবাপে আর অলিসদের মতো ম্যাচ উইনারদের উপস্থিতির কারণে ফরাসিদেরই এবার প্রতিশোধ নেওয়ার পাল্লা ভারী।

এখন দেখার অপেক্ষা, এমবাপের ফ্রান্স কি পারবে প্রতিশোধ নিতে নাকি আবারও ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটবে?

ফ্রান্সের মূল একাদশ: মাইগনান, রাবিও, দেম্বেলে, থিও, এমবাপে, উপামেকানো, কুন্দে, চুয়ামেনি, সালিবা, অলিস, দুয়ে।

বদলি খেলোয়াড়: দিনিয়ে, ব্রিস সাম্বা, কান্তে, লুকাস, তুরাম, জঁ-ফিলিপ মাতেতা, কোনাতে, মাক্সেন্স লাক্রোয়া, চেরকি, মানু কোনে, গুস্তো, বারকোলা, জাইর-এমেরি, মাগনেস আকলিউশ, রবিন রিসার।

সেনেগালের মূল একাদশ : গেয়ে, কুলাবালি, মানে, এদুয়ার্দ মঁদি, নিয়াখাতে, সার, পাপে গেয়ে, দিয়াত্তা, নিকোলাস জ্যাকসন, লামিন কামারা, এল হাদজি মালিক দিউফ।

আরও পড়ুন:  বাংলাদেশিদের অভিবাসী ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে যুক্তরাষ্ট্র

বদলি খেলোয়াড় : মরি দিও, আবদুলায়ে সেক, ইয়েভান দিউফ, শেরিফ এনদিয়ায়ে, পাথে সিস, ইসমাইল জ্যাকবস, আন্তোইন মঁদি, ইলিমান এনদিয়ায়ে, পাপে সার, বাম্বা দিয়েং, হাবিব দিয়ারা, মামাদু সার, আসানে দিয়াও, এমবায়ে, বারা সাপোকো এনদিয়ায়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *