যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা চুক্তি সংসদে আনার আহ্বান রুমিন ফারহানার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্য চুক্তি সংসদ অধিবেশনে আলোচনায় আনার দাবি জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে তিনি এই দাবি তুলেন। সংসদ স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন।

এ সময় রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এতে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী ধারা আছে বলে তখন আপত্তি উঠেছিল, আর সরকার চাইলে ৬০ দিনের মধ্যে এটি বাতিলও করতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মঙ্গলবার মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বৈঠকে বাণিজ্য চুক্তি আলোচনায় এসেছে। ওই বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে আমদানি ও রফতানির ঘাটতি, বাংলাদেশের কৃষি ও জ্বালানি পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি, দেশে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতি সংস্কারের বিষয়গুলো তুলে ধরেন।’

আরও পড়ুন:  ডর্টমুন্ডকে গুঁড়িয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়ালের ‘১৫’

চুক্তি সইয়ের ‘সময় নিয়ে’ আপত্তি তুলে তিনি বলেন, ‘আমরা জানি যে ১২ ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। তখন দেশের ‘সুশীল সমাজ’ ও ‘থিংক ট্যাংক’ মহল থেকে বলা হয়েছিল, একটি অনির্বাচিত সরকার এ ধরনের চুক্তি সই করতে পারে না।’

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এই চুক্তিতে অনেকগুলো ক্লজ আছে যেটা বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী। সুতরাং নির্বাচনের পরে যখন একটি নির্বাচিত সরকার আসবে তখন যেন এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু আনফরচুনেটলি আমরা দেখলাম যে না অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শোনে নাই এবং ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।’

পরবর্তীতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মাননীয় সদস্য শুনুন এটি কোন পয়েন্ট অব অর্ডার হল না। ৩০১ বিধিতে আপনি পড়লে দেখতে পাবেন যে পয়েন্ট অব অর্ডার সংসদের চলমান বিষয়ের উপরে হতে হয় কিংবা সংসদ কাজে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য হতে হয়। আপনি একটি নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। আপনি নোটিশ দেন, এটি বিবেচনা করে দেখা হবে।’

আরও পড়ুন:  এবার যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের দেশে শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *