ইরানের বাসিজ বাহিনীর প্রধানকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী মঙ্গলবার জানিয়েছে, এক হামলায় ইরানের বাসিজ আধাসামরিক বাহিনীর প্রধানকে হত্যা করেছে তারা। এদিকে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরানের জাতীয় নিরাপত্তা লারিজানিকেও হত্যা করা হয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে, ‘তেহরানে এক সুনির্দিষ্ট হামলায় আইডিএফ বাসিজ ইউনিটের কমান্ডার নিহত হয়েছেন।’ তারা বলেছে, ‘গতকাল সোমবার আইডিএফের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী গোলামরেজা সোলেইমানিকে হত্যা করে।

তিনি গত ছয় বছর ধরে বাসিজ ইউনিটের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।’১৯৭৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি বাসিজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং এই স্বেচ্ছাসেবী আধাসামরিক বাহিনী আইআরজিসির অধীনে কাজ করে।ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরো জানিয়েছে, ‘ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর অধীন স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী বাসিজ, ইরানে সাম্প্রতিক গণবিক্ষোভের সময় কর্তৃপক্ষের ‘প্রধান দমন অভিযানগুলোর নেতৃত্ব দিয়েছিল।’

আরও পড়ুন:  বিবিসির সাবেক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক স্যার মার্ক টালি মারা গেছেন

গত জানুয়ারিতে বিক্ষোভে ইরান উত্তাল হয়ে ওঠে।

তখন তাদের ওপর দমন অভিযান চালানো হয়। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং কয়েক হাজার মানুষ গ্রেপ্তার হয় ওই অভিযানে।পৃথক প্রতিবেদনে ইসরায়েলি গণমাধ্যম আরো জানায়, সামরিক বাহিনী ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানিকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। বাসিজ মূলত দেশের প্রতি নিষ্ঠাবান নাগরিকদের নিয়ে গঠিত।
তবে কিছু বিশ্লেষক মনে করেন, তরুণ পুরুষরা এখানে বিশেষ সুবিধা বা অর্থনৈতিক সুযোগের জন্যও যোগ দেন।

বাসিজ সদস্যরা সাধারণত আদর্শবাদী এবং তরুণ শ্রমজীবী পুরুষদের সমন্বয়ে গঠিত। ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অফ ওয়ার-এর মতে, এই গোষ্ঠীতে আনুমানিক ৪ লাখ ৫০ হাজার সদস্য রয়েছে। বাসিজ সদস্যদের প্রায়ই বিক্ষোভের সম্মুখ সারিতে মোতায়েন করা হয় এবং সাম্প্রতি সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ দমনে তারা একটি বড় ভূমিকা পালন করেছে।

আরও পড়ুন:  বইমেলায় আমিন আবদুল্লাহ`র কাব্যগ্রন্থ `তোমার পরশ খুঁজি`

সূত্র : আলঅ্যারাবিয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *