প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের প্রশ্ন ফাঁসের গুঞ্জন, যা বলছে অধিদপ্তর

সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৯ জানুয়ারি। এদিন বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা ব্যতীত) এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এই নিয়োগ পরীক্ষাকে সামনে রেখে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসের গুঞ্জন শোনা গেছে। তবে এই গুঞ্জন বা কোনোরূপ প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হতে সতর্ক করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

একই সঙ্গে দালাল বা প্রতারকচক্রের দ্বারা প্রলুব্ধ হয়ে কোনো ধরনের টাকা লেনদেন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কতা জানানো হয়।

এতে জানানো হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর লিখিত পরীক্ষা আগামী ৯ জানুয়ারি বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম নিয়োগ বিধি অনুসরণপূর্বক সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়।

আরও পড়ুন:  দেশজুড়ে বাড়ছে সহিংসতা, ২০২৫ সালে দিনে গড়ে ১১ খুন
নিয়োগ পরীক্ষার্থীদের রোল নম্বর, আসন বিন্যাস, প্রশ্নপত্র প্রেরণ ও মুদ্রণ, উত্তরপত্র মূল্যায়ন, ফল প্রস্তুতসহ যাবতীয় কাজ সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা হয়।বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় পরীক্ষা কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কারো কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।

এ অবস্থায় দালাল বা প্রতারকচক্রের দ্বারা প্রলুব্ধ হয়ে কোনো ধরনের টাকা লেনদেন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।

কেউ টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখালে তাকে নিকটস্থ থানায় সোপর্দ করা বা থানা বা গোয়েন্দা সংস্থাকে অবহিত করা সমীচীন হবে।এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে ২ জানুয়ারির পরীক্ষা পিছিয়ে ৯ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। তবে পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এবং প্রশাসনিক সমন্বয় নিশ্চিত করতে পরীক্ষার সময় সকালে না রেখে বিকেলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন:  প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হলেন আলী রীয়াজ

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য মতে, দুই ধাপ মিলিয়ে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি। প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে লড়াই করবেন প্রায় ৭৫ জন চাকরিপ্রার্থী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

eleven + fifteen =