তাহলে সেই বাকস্বাধীনতা কোথায় গেল: মামলার প্রতিক্রিয়ায় শাওন

শাওন বলেন, ‘আমি আমার কিছু মতপ্রকাশ করেছি, যা কোনো দলের পক্ষে বা বিপক্ষে যায় না। আমি আজ পর্যন্ত কোনো দলের নাম বা নেতার নাম ব্যবহার করে কিছু লিখিনি; পক্ষে হোক, বিপক্ষে হোক।’

মামলার বিষয়ে জানতে পারার পর সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে বিবিসি বাংলাকে শাওন বলেন, ‘আমি শুনেছি যে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে। এখন সন্ত্রাস জিনিসটা তো আসলে দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। কাজেই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হবার মতো কিছু করেছি বলে আমি মনে করি না এবং আমি নিশ্চিত, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হবার মতো কিছু আমি করিনি।’

আরও পড়ুন:  ২৩ নাবিকসহ কুতুবদিয়ায় নোঙর ফেললো এমভি আবদুল্লাহ

মামলাটিতে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনের সঙ্গে সাংবাদিক আনিস আলমগীর, মডেল মারিয়া কিশপট্ট ও উপস্থাপক ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজকেও আসামি করা হয়েছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘সন্ত্রাসী কার্যক্রমে উস্কানি’ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে ‘কটূক্তি’ করার মাধ্যমে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে এর আগে তাদের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় অভিযোগ দাখিল করেন জুলাই রেভ্যুলেশনারি এলায়েন্স কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ।

অভিযোগ অস্বীকার করে শাওন বলেন, ‘আমি আমার কিছু মতপ্রকাশ করেছি, যা কোনো দলের পক্ষে বা বিপক্ষে যায় না। আমি আজ পর্যন্ত কোনো দলের নাম বা নেতার নাম ব্যবহার করে কিছু লিখিনি; পক্ষে হোক, বিপক্ষে হোক।’

তিনি বলেন, ‘আমি কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষক না। আমি দেশের একজন সাধারণ নাগরিক। সেই নাগরিকের জায়গা থেকে আমার যখন কষ্ট লেগেছে, খটকা লেগেছে, আমার যখন মনে হয়েছে, জিনিসটা ঘটা উচিত হয়নি, তখন আমি সেই মতামতটা প্রকাশ করেছি।’

আরও পড়ুন:  মিসর সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

শাওন আরও বলেন, ‘সেই একাত্তর থেকে আমরা কি চেয়েছি? আমরা তো আসলে মতপ্রকাশ করতেই চেয়েছি। চব্বিশের জুলাইতেও যেই কথাটা বলা হয়েছিল, সেটা হলো- বাক-স্বাধীনতা। এখন একদম সিম্পল মতপ্রকাশেই যদি মামলা করতে হয়, আর মামলা করলেই যদি গ্রেপ্তারের ভয়টা থাকে, তাহলে সেই বাকস্বাধীনতাটা কোথায় গেল?’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

thirteen − three =