বিদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন একটি ভিসা চালু করতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। আগামী ১২ নভেম্বর থেকে এই ভিসা চালু হবে। এর আওতায় সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় থাকার সুযোগ পাওয়া যাবে।
বাংলাদেশিরাও এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
নতুন এই ভিসার নাম ‘সাবক্লাস ৪০৭ ট্রেনিং ভিসা’। এর আওতায় যোগ্য বিদেশি নাগরিকেরা কর্মক্ষেত্রভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ পাবেন। এই ভিসার জন্য স্টুডেন্ট ভিসার প্রয়োজন হবে না।
এই ভিসার মূল উদ্দেশ্য হলো বিদেশি নাগরিকদের বর্তমান পেশা, উচ্চশিক্ষার বিষয় বা নির্দিষ্ট কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া। পাশাপাশি পেশাগত উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া।
এই ভিসা পেতে আবেদনকারীর জন্য অস্ট্রেলিয়ায় অনুমোদিত স্পনসর থাকতে হবে। সাধারণ নিয়মে স্পনসর প্রতিষ্ঠানকে আবেদনকারীর জন্য নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মনোনয়নও জমা দিতে হবে। পরে এর অনুমোদন দেবে অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষ।
এই ভিসার আওতায় মূলত তিন ধরনের প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে:
-
কোনো পেশায় নিবন্ধন বা লাইসেন্স পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ।
-
নির্দিষ্ট যোগ্য পেশায় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বাড়ানোর প্রশিক্ষণ।
-
বিদেশে পেশাগত সক্ষমতা উন্নয়ন, উচ্চতর যোগ্যতা বা বিশেষ উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণ।
এই ভিসার মাধ্যমে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় থাকার অনুমতি পাওয়া যাবে। তবে ভিসার মেয়াদ আবেদনকারীর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও অন্যান্য শর্তের ওপর নির্ভর করবে।
তবে এতে অস্ট্রেলিয়ায় কোনো কাজ করার অনুমতি পাওয়া যাবে না।
অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষণা অনুযায়ী, ভিসার আবেদন করার সময় আবেদনকারীকে অবশ্যই অস্ট্রেলিয়ার বাইরে থাকতে হবে। ভিসা অনুমোদনের সময়ও তাকে দেশের বাইরেই অবস্থান করতে হবে।
যেকোনো দেশের নাগরিক এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য, অনুমোদিত স্পনসর ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মনোনয়ন ছাড়া সাধারণ চাকরি বা পড়াশোনার বিকল্প হিসেবে এই ভিসায় আবেদনের সুযোগ নেই।







