যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) স্থানীয় সময় ভোর ও বাংলাদেশ সময় বিকেল প্রায় ৫টার দিকে বুথগুলো খুলে দেওয়া হয়।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটাররা দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেটে ভোট দেবেন। এতে প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচন হবে না। ফলে ফলাফল যাই হোক ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট এবং জেডি ভান্স ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে থাকবেন।
তবে তাদের ক্ষমতা কমে যেতে পারে— কীভাবে?
যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভে আসন রয়েছে ৪৩৫টি। অপরদিকে সিনেটের আসন ১০০টি। এরমধ্যে হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভের সবগুলো আসেন আজ ভোটগ্রহণ হচ্ছে। আর সিনেটের ৩৫টি আসনে হচ্ছে নির্বাচন।
হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভের আসনগুলোর মেয়াদ দুই বছর। আর সিনেটের আসনগুলোর মেয়াদ থাকে ছয় বছর। এরফলে এ বছর সিনেটের তিন ভাগের এক ভাগ আসনে নির্বাচন হচ্ছে।
সর্বশেষ নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভে খুবই অল্প ব্যবধানে ২০২৪ সালের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল। অপরদিকে সিনেটে বর্তমানে রিপাবলিকানদের আসন আছে ৫৩টি। বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির আছে ৪৭টি। যারমধ্যে দুজন আবার স্বতন্ত্র।
যদি মানুষ রিপাবলিকানদের ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং ডেমোক্র্যাটসদের বেশি ভোট দেয় তাহলে নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণ চলে যেতে পারে ট্রাম্পের দলের থেকে। এতে করে যে কোনো আইন পাস তার জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে যাবে।
সিনেট ও হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভের সদস্য নির্বাচনের পাশাপাশি ৩৯টি রাজ্যের গভর্নরদেও আজকের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করা হবে। এছাড়া স্থানীয় সরকারের কয়েক হাজার প্রতিনিধি, জুডিসিয়াল, ট্যাক্স, গর্ভপাত ইস্যু এবং ভোটের আইনের ওপরও ভোটাভুটি হবে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান







