হাইকমিশনার বলেন, আমরা এমন একটি যুগে বাস করছি যেখানে প্রযুক্তির কারণে মানুষ বিশ্বব্যাপী যুক্ত হলেও ব্যক্তিগত দূরত্ব বাড়ছে।
ব্যবসা-বাণিজ্যে বিদ্যমান সংকটের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শুল্কবহির্ভূত বাণিজ্য বাধা, টেস্টিং ও স্ট্যান্ডার্ড সম্পর্কিত জটিলতা, প্রক্রিয়াগত বিলম্ব এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে ব্যবসা পরিচালনায় কিছু সমস্যা রয়ে গেছে।
এ বিষয়ে ভারতের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় এবং বিশেষ করে সিআইআই প্রতিনিধিদলকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সফরকালে অর্জিত অভিজ্ঞতা ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরা প্রয়োজন, যেন উভয় দেশের ব্যবসায় একটি সহজ ও টেকসই পরিবেশ তৈরি হয়।
তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া, ওষুধ, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, সিরামিক, প্লাস্টিক এবং হালকা প্রকৌশল পণ্যের মতো বাংলাদেশি প্রতিযোগিতামূলক পণ্যগুলো আরো বেশি পরিমাণে আমদানির জন্য ভারতীয় কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এ ছাড়া বাণিজ্য ও আঞ্চলিক সংযোগ বাড়াতে সার্ক এবং বিমসটেকের মতো কাঠামোগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহারের ওপর জোর দেন শামা ওবায়েদ।
এর আগে দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে তার একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সিআইআই ডিরেক্টর জেনারেল চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জিও বক্তব্য রাখেন। এতে দুই দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতা এবং ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।







