কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান (তনু) হত্যা মামলায় সাবেক দুই সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন কুমিল্লার আদালত। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এদিকে তনু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হাফিজুর রহমানকে সোমবার সকাল ১১টার দিকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এদিন আদালতে হাজির করা হলেও হাফিজুর রহমানের পক্ষে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি। পরে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
হাফিজুর রহমান সেনাবাহিনীর সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার ছিলেন। ২০২৩ সালে তিনি সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। গত ২১ এপ্রিল ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তনু হত্যাকাণ্ডের সময় হাফিজুর রহমান কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেননি তনু। পরে বহু খোঁজাখুঁজি করে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে একটি জঙ্গলে লাশ পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।
শুরুতে পুলিশ তদন্ত করলেও পরে মামলাটি ডিবি ও সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। কোনো সংস্থা দৃশ্যমান অগ্রগতি করতে না পারায় ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর মামলাটি পিবিআইয়ের ঢাকা সদর দপ্তরে হস্তান্তর করে সিআইডি। গত প্রায় চার বছর মামলাটি তদন্ত করেছেন পিবিআই সদর দপ্তরের পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর থেকে মামলাটির দায়িত্ব পান পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম।







