বিএনপি সরকারের কোনো সময়ে শেয়ারবাজার লুটপাটের কোনো সুযোগ ছিল না, এবারও থাকবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, এবারও কেউ লুটপাটের সুযোগ পাবে না।’
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশন চলাকালে এ কথা বলেন তিনি।
সংসদে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ অধিকতর সংশোধনের জন্য [বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬] বিশেষ কমিটির সুপারিশ বিবেচনার প্রস্তাব দেন।
এ সময় বিলটির ওপর জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়।
এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নিয়োগ, বিদায়সহ যেসব পরিবর্তন এসেছে কোনোটাই দেশের জনগণ ও গণতন্ত্র সাপোর্ট করে না উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা ও ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যোগ্য লোকদের যোগ্য জায়গায় বসানো দরকার। খেলার মাঠটা পর্যন্ত আমরা উন্মুক্ত রাখতে পারলাম না। ওখানেও গিয়ে আমরা ঝাঁপিয়ে পড়লাম। এভাবে চললে দেশ আগাবে কিভাবে? দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এমন কোনো কিছু দৃশ্যমান কিছু হচ্ছে না।’
জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নরের পারফরম্যান্স আগের যেকোনো গভর্নরের চেয়ে ভালো। ফিন্যানশিয়ালি সেক্টরে কোনো পলিটিক্যাল নিয়োগ হবে না—এমন সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আপনারাও দেখুন আগামীতে এমন কোনো নিয়োগ হয় কি না।’
এরপর বিরোধীদলীয় উপনেতা ও কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিল বর্তমান গভর্নর, তাহলে তাকে পরিবর্তন করে নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হবে কি না?
বিরোধীদলীয় উপনেতার এমন বক্তব্যের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দলকে সমর্থন করা মানে দলের লোক নয়।’
এরপর বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ সংশোধন বিল-২০২৬ সংসদে কণ্ঠ ভোটে পাস হয়। তবে দুটি বিলেই বিরোধী দলের আপত্তি ছিল। আলোচনার জন্য সময় চাওয়া হলে বিলটির ওপর জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়।







