ঈদে যেভাবে পাওয়া যাবে টানা ১০ দিনের ছুটি

বিশ্বব্যাপী সিয়াম সাধনার মাধ্যমে পবিত্র রমজান মাস পালন করছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। আরবি শাবান মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী মার্চ মাসের ২০ অথবা ২১ তারিখ অনুষ্ঠিত হতে পারে ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। রোজার শুরু থেকেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো বন্ধ রয়েছে। তবে সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা এবার ঈদে কতদিন ছুটি কাটাতে পারবেন তা নিয়ে রয়েছে কৌতূহল।

এ বছর যদি মার্চের ২০ তারিখ হিজরি শাবান মাসের, অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখা যায় তাহলে ২১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ঈদুল ফিতর। চাঁদ দেখা না গেলে রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে, সেক্ষেত্রে আরো একদিন পর অর্থাৎ ২২ মার্চ ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি মোট পাঁচ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ হিসাব করে সরকারিভাবে ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার থেকে সোমবার ২৩ মার্চ পর্যন্ত ঈদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:  পবিত্র কোরআন হাতে মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন মামদানি
২৭ রমজান শবে কদরের দিন সব সময় সরকারি ছুটি থাকে। এ বছর ১৭ মার্চ মঙ্গলবার শবে কদরের বন্ধ আগে থেকেই নির্ধারিত রয়েছে। পরদিন ১৮ মার্চ বুধবার সাধারণ কর্মদিবস। ১৯ মার্চ ২৯ রোজা থেকেই শুরু হচ্ছে পাঁচ দিনের ঈদের সরকারি ছুটি।
এই ছুটি শেষ হবে ২৩ মার্চ। এর পর ২৪ ও ২৫ মার্চ দুদিন অফিস আদালত খোলা থাকবে। তবে ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের ছুটি রয়েছে। পরের দুদিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন।

ছুটি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সরকারি চাকরিজীবীরা ২৪ ও ২৫ মার্চ দুই দিনের নৈমিত্তিক ছুটি নিলে ১৯ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিনের ছুটি কাটাতে পারবেন।

আরও পড়ুন:  দুর্নীতি মামলায়ও খালাস পেলেন ড. ইউনূস
আবার ১৮ মার্চ একদিনের বাড়তি ছুটি নিলে শবে কদর থেকেই এই ছুটি উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে সরকারি চাকরিজীবীদের।সরকার ঘোষিত ছুটিতে বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানই বন্ধ থাকে, তবে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষই মূলত ছুটি নির্ধারণ করে থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

2 × two =