ক্ষমতায় এলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে: তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, রংপুর অঞ্চলের উন্নয়নে তার সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এটি একটি কৃষিপ্রধান এলাকা এবং এখানকার প্রধান সমস্যা পানির সংকট। এই সমস্যা সমাধানে সর্বপ্রথম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং তিস্তা ব্যারেজ খননের কাজ শুরু করেছিলেন। ইনশাআল্লাহ, বিএনপি ক্ষমতায় এলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রংপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, অনেকেই রংপুরকে গরিব অঞ্চল বলে থাকেন, কিন্তু বাস্তবে এটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি এলাকা। আমাদের লক্ষ্য রংপুরকে নতুনভাবে সাজানো। এখানে কৃষিজাত পণ্যভিত্তিক শিল্পকারখানা গড়ে তোলা হবে এবং ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে, যাতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।

পাশাপাশি স্থানীয় আইটি প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য কর ছাড় দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা আমাদের পরিকল্পনা আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি, এখন আপনাদের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জনতা ‘ধানের শীষ’ বলে স্লোগান দিলে তিনি সবাইকে ফজরের নামাজ আদায় করে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান।

সভায় রংপুর সদর-৩ আসনের প্রার্থী ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামুর সভাপতিত্বে এবং মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) ও লালমনিরহাট-৩ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ও পঞ্চগড়-২ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব ও নীলফামারী-৪ আসনের প্রার্থী মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, পল্লী উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক ও পঞ্চগড়-২ আসনের প্রার্থী ফরহাদ হোসেন আজাদ, গ্রাম সরকারবিষয়ক সম্পাদক ও গাইবান্ধা-২ আসনের প্রার্থী আনিছুজ্জামান খান বাবু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক ও আমিনুল ইসলামসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা।

আরও পড়ুন:  আগামী বছরের শুরুতে বাংলাদেশে আসতে পারেন মেসি

এ সময় রংপুর বিভাগের আট জেলার নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের কয়েক লক্ষাধিক মানুষ জনসভায় উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *