নামিবিয়া-ওমান ম্যাচের পর এবার সুপার ওভারে গড়িয়েছে পাকিস্তান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ম্যাচ। যেখানে শেষ হাসি হেসেছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ে বিশ্বকাপ টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বাংলাদেশকে সিরিজ হারিয়ে চমকে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্র কানাডার পর এবার কাঁপিয়ে দিল পাকিস্তানকে। শুধু কাঁপিয়ে দিয়ে নয়, বিশ্ব ক্রিকেটের পরাশক্তিদের হারিয়ে তুলে নিয়েছে ঐতিহাসিক জয়। সুপার ওভারে সাবেক চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে স্বাগতিকরা অঘটনই ঘটিয়েছে।
১৬০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলকে ভালো শুরু এনে দেন দুই মার্কিন ওপেনার স্টিভেন টেইলর ও মোনাঙ্ক প্যাটেল। উদ্বোধনী জুটিতে ৩৬ রান যোগ করেন এই দুই ওপেনার। তবে ১৬ বলে ১২ রান করে ফিরে যান টেইলর।
এরপর ক্রিজে আসা অ্যান্ড্রিস গাউসকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন মোনাঙ্ক। ৬৮ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার। সাবলীল ব্যাটিংয়ে ফিফটি তুলে নেন মোনাঙ্ক। এই দুই ব্যাটারের ব্যাটে জয়ের পথেই ছিল যুক্তরাষ্ট্র।
এরপর দ্রুতই জোড়া উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। গাউস ২৬ বলে ৩৫ ও মোনাঙ্ক ৩৮ বলে ৫০ রান করে আউট হন। তাদের বিদায়ের পর রানের চাকা সচল রাখেন অ্যারন জোন্স ও নিতিশ কুমার। শেষ বলে জয়ের জন্য ৫ রান প্রয়োজন হয় যুক্তরাষ্ট্রে। সেই বলে চার মেরে ম্যাচ সুপার ওভারে নিয়ে যান নিতিশ। জোন্স ২৬ বলে ৩৬ ও নিতিশ ১৪ বলে ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
সুপার ওভারে বাজে বোলিং করেন মোহাম্মদ আমির। তিনটি ওয়াইড দেন তিনি। সুপার ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ১৮ রান সংগ্রহ করে যুক্তরাষ্ট্র। ১৯ রানের টার্গেটে ব্যাট প্রথম দুই বলে এক চারের সাহায্যে পাঁচ রান সংগ্রহ করেন ইফতিখার আহমেদ। তৃতীয় বলে এই ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান সৌরভ নেত্রাভালকার।
ইফতিখারের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন শাদাব খান। শেষ বলে জয়ের জন্য ৭ রান প্রয়োজন হয় পাকিস্তানের। শেষ বলে মাত্র ১ রান নিতে সক্ষম হয় পাকিস্তান। ফলের জয়ের আনন্দে মেতে ওঠে যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ধস নামে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনে। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে তিন উইকেটে তাদের বোর্ডে যোগ হয় মাত্র ৩০ রান। ২৬ রানের মধ্যে মোহাম্মদ রিজওয়ান (৯), উসমান খান (৩) ও ফখর জামানকে (১১) হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নরা। নসথুশ কেনজিগে, আলী খান, সৌরভ নেত্রাভালকারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সুবিধা করতে পারছিল না পাকিস্তানের ব্যাটাররা। এরপর শাদাব খান ২৫ বলে তিন ছক্কা ও একটি চারে করেন ৪০ রান।







