অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কাইজার সোহেল আহমেদ বলেন, ‘আজ বিমান একটি মাইলফলক অর্জন করছে। বিমানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি করতে যাচ্ছি।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চুক্তিটিতে চারটি ওয়াইড বডি ‘এ৩৫০-৯০০’ এবং ছয়টি ন্যারো বডি ‘এ৩২১নিও’ জেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এয়ারবাসের উড়োজাহাজগুলোর সরবরাহ ২০৩৩ থেকে ২০৩৭ সালের মধ্যে শুরু হতে পারে, তবে সরকার চায় তা ২০৩০ সালের আগেই এটি শুরু হোক।
গত ৩০ এপ্রিল প্রথম দফায় প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন ডলারে (৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা) ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়। এর মধ্যে রয়েছে আটটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ ও চারটি ৭৩৭-৮।
দ্বিতীয় দফায় গত ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে আরো ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সই হয়। এর মধ্যে পাঁচটি ৭৮৭-১০ ও ছয়টি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় বলছে, বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ আসা শুরু হতে পারে ২০৩১ সালে। এই প্রতিষ্ঠানের সব উড়োজাহাজ পেতে ১১ থেকে ১২ বছর লাগবে।
বিমানের বহরে বর্তমানে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি বোয়িং ও পাঁচটি ড্যাশ-৮। তবে বহরের দুটি উড়োজাহাজ প্রায় অচল হয়ে পড়ার অবস্থায় রয়েছে। বাকি ১৭টিও আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বহর থেকে বাদ পড়বে। এ কারণে তাত্ক্ষণিক চাহিদা মেটাতে আরো ১০টি উড়োজাহাজ ভাড়া (লিজ) নেওয়ার চেষ্টা করছে বিমান। একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখনো কোনো উড়োজাহাজ ভাড়া নিতে পারেনি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থাটি।







