নব্বইয়ের দশকের কালজয়ী চলচ্চিত্র ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ মুক্তির দীর্ঘ ২৮ বছর পর নতুন প্রজন্মের সামনে বড় পর্দায় এসেছে এর আধুনিক সংস্করণ ‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’। তরুণ নির্মাতা কামরুজ্জামান পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি শুক্রবার (২ অক্টোবর) দেশের অন্তত ১৪টি প্রেক্ষাগৃহে একযোগে মুক্তি পেয়েছে। ১৯৯৮ সালে বাসুদেব চ্যাটার্জির পরিচালনায় বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত মূল সিনেমায় অভিনয় করে খ্যাতি পেয়েছিলেন ফেরদৌস আহমেদ ও প্রিয়াঙ্কা ত্রিবেদী। সেই মিষ্টি প্রেমের মূল গল্পকে অক্ষুণ্ণ রেখে বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে সিনেমাটি নতুনভাবে তৈরি করা হয়েছে; যেখানে মূল সিনেমার মতো এবারও কেন্দ্রীয় দুই চরিত্রে অভিষেক ঘটছে নতুন দুই অভিনয়শিল্পী আরিয়ান সারোয়ার ও রাদিফা নারমিনের
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও আশীর্বাদ চলচ্চিত্রের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এই নতুন জুটিকে নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পরিচালক। চলচ্চিত্রটিতে নবীন দুই মুখের পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন আজাদ আবুল কালাম, ফারজানা ছবি, ক্রিস্টিয়ানো তন্ময়, কায়েস আরজু, মৌ খান এবং ঝুনা চৌধুরীসহ একঝাঁক অভিজ্ঞ অভিনয়শিল্পী। মূল চলচ্চিত্রের তুমুল জনপ্রিয়তার বড় কারণ ছিল নচিকেতা চক্রবর্তীর সুর ও কণ্ঠের গানগুলো। সেই নস্টালজিয়া ধরে রাখতে ‘ছোট ছোট স্বপ্নের নীল মেঘ’, ‘একদিন স্বপ্নের দিন’ কিংবা ‘সোনালি প্রান্তরে’র মতো জনপ্রিয় পুরোনো ছয়টি গানের মধ্য থেকে তিনটি কালজয়ী গানের রিমেক করা হয়েছে এবং এর সঙ্গে সমসাময়িক দর্শকের পছন্দ মিলিয়ে যুক্ত হয়েছে আরও দুটি নতুন মৌলিক গান।
রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের দর্শকদের জন্য বেশ কয়েকটি আধুনিক সিনেপ্লেক্স ও প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটির প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ঢাকার দর্শকেরা বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্স, মিরপুরের সনি স্কয়ারের স্টার সিনেপ্লেক্স, ঐতিহ্যবাহী শ্যামলী সিনেমা হল এবং কেরানীগঞ্জের লায়ন সিনেমাসে চলচ্চিত্রটি উপভোগ করতে পারছেন। এর বাইরে রাজধানীর উপকণ্ঠ কাঁচপুরের চাঁদমহল সিনেমা হল এবং নারায়ণগঞ্জের সীমান্ত টাওয়ারের স্টার সিনেপ্লেক্স ও জনপ্রিয় মিনি মাল্টিপ্লেক্স সিনেস্কোপে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি।
ঢাকার বাইরে দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরের প্রেক্ষাগৃহগুলোতেও প্রদর্শিত হচ্ছে ‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’। বিভাগীয় পর্যায়ের হলগুলোর মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রামের সুগন্ধা সিনেমা হল, সিলেটের গ্র্যান্ড সিলেট মুভি থিয়েটার, খুলনার লিবার্টি এবং যশোরের ঐতিহ্যবাহী মণিহার সিনেমা হল। এ ছাড়া ঢাকার বাইরের দর্শকদের জন্য কুমিল্লার কে স্ক্রিন, কুষ্টিয়ার স্বপ্নীল সিনেমা হল এবং বগুড়ার মমইন প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটির নিয়মিত প্রদর্শনী চলছে।







