বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা ও চিকিৎসার খরচ, ভ্রমণ ব্যয়, কর ও সরকারি সেবার ফি, ঋণ বা আমানতের কিস্তি এবং বিমার প্রিমিয়াম পরিশোধে এই ঋণ ব্যবহার করা যাবে।
তবে এই ঋণের অর্থ কোনোভাবেই নগদে তোলা যাবে না। গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর কিংবা মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) ওয়ালেটেও জমা করা যাবে না।
৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সেবা ফি হবে ৭ দিনের জন্য ৩ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৪ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ৬ টাকা।
অন্যদিকে, ৭ হাজার ১ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে ৭ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৭০ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ১৩০ টাকা সেবা ফি নেওয়া যাবে।
ব্যাংকগুলোকে গ্রাহক নিবন্ধন, ঋণের অনুমোদন, অর্থ পরিশোধ এবং ঋণ ফেরত নেওয়া-পুরো প্রক্রিয়াই ডিজিটালভাবে সম্পন্ন করতে হবে।
লেনদেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এককালীন পাসওয়ার্ড (ওটিপি), দুই স্তরের নিরাপত্তা যাচাই বা একাধিক স্তরের নিরাপত্তা যাচাইয়ের মতো নিরাপদ পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে।
এই সুবিধা পরিচালনার জন্য ব্যাংকগুলো মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা, পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী এবং আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে অংশীদারি করতে পারবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ শ্রেণিকরণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, গ্রাহক সুরক্ষা, অর্থপাচার প্রতিরোধ এবং তথ্যনিরাপত্তা-সংক্রান্ত নিয়মকানুনের আওতায় থাকবে এই উদ্যোগ।
নতুন এই সুবিধার মাধ্যমে ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যবহার আরো বাড়বে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে গ্রাহকেরা সহজে ছোট অঙ্কের স্বল্পমেয়াদি ঋণ পাওয়ার সুযোগ পাবেন বলেও আশা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।







