মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার বলি হওয়া বাংলাদেশি প্রবাসী এসএম তারেক আলীর মরদেহ দীর্ঘ এক মাস পর দেশে পৌঁছেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় গালফ এয়ারের একটি ফ্লাইটে (জিএফ-২২৫০) তার মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।
গত ২ মার্চ বাহরাইনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় একটি শিপইয়ার্ডে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে নিহত হন তারেক আলী। তিনি দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে বাহরাইনের ‘দ্রাইডক’ নামক একটি শিপইয়ার্ড কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজিমপুর ইউনিয়নে।
তারেকের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়েছে। নিহতের স্বজন মোশাররফ হোসেন বলেন, একটি মাস আমাদের জন্য পাহাড়সম যন্ত্রণার ছিল। মরদেহটি পাব কি না, তা নিয়ে শঙ্কায় ছিলাম। অবশেষে দেশের মাটিতে তাকে শেষ বিদায় জানাতে পারব, এটাই সান্ত্বনা।
এর আগে বৃহস্পতিবার বাহরাইনের রাজধানী মানামার কানু মসজিদে তারেক আলীর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রইস হাসান সরোয়ারসহ দূতাবাসের কর্মকর্তারা এবং বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নেন।







