মার্কিন এক কর্মকর্তা এই বড় ধরনের শক্তি বৃদ্ধির খবর নিশ্চিত করেছেন। এই কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যমতে, জাপানের ওকিনাওয়ায় মোতায়েন থাকা ৩১তম মেরিন এক্সপিডিশনাল ইউনিটের সদস্য এবং উভচরযান ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’-কে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্যাটেলাইট চিত্রে ত্রিপোলিকে তাইওয়ানের কাছ দিয়ে এগিয়ে যেতে দেখা গেছে, যা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ইরান উপকূলে পৌঁছাতে পারে।
নতুন মেরিন বাহিনী মোতায়েন হতে চলার খবর প্রথম প্রকাশ করে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
যুদ্ধ-পরিস্থিতিতে উভচর যান থেকে সাধারণত পদাতিক বাহিনী স্থলভূমিতে অবতরণ করে। তাই আগামী কয়েক সপ্তাহে মার্কিন বাহিনী পারস্য এবং ওমান উপসাগরের পথে ইরানে স্থল অভিযান শুরু করতে পারে বলে জল্পনা শুরু হয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, “অস্ত্রহীন সাধারণ মানুষের পক্ষে বর্তমান সরকারকে হটানো অনেক কঠিন বাধা,” বিশেষ করে ইরানের বাসিজ বাহিনীর শক্ত অবস্থানের কারণে।
ইরান ইসরায়েল ও প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ কার্যত রুদ্ধ হয়ে থাকায় বিশ্ব অর্থনীতি টালমাটাল।
বিস্ফোরণে হতাহতের কোনো তাৎক্ষণিক খবর পাওয়া যায়নি। তবে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই গণ-সমাবেশ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত এবং ইসরায়েলের হামলার হুমকি, উভয়ই এই যুদ্ধের তীব্রতাকে ফুটিয়ে তুলছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে টালমাটাল করে দিলেও থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।







