১৯৮৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এক প্রতিবেদনে বলেছিল, উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো লবণমুক্ত করা খাবার পানি।
সেসব দেশে সমুদ্রের পানিকে লবণমুক্ত করে খাওয়ার উপযোগী করা হয়। কয়েকদিন আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একটি পানি শোধনাগারে হামলা চালায়। যেখানে পানি লবণমুক্ত করা হয়। এ ঘটনা আরবসহ পুরো বিশ্বকে চমকে দেয়।
এর পরেরদিন বাহরাইনে একটি পানি শোধনাগারে হামলা হয়। বাহরাইন জানায়, তাদের পানি কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে ইরান।
এই পানি শোধনাগারগুলো আরব দেশগুলোর সবচেয়ে বড় দুর্বলতা।
কারণ যদি একটি দেশের বেশ কয়েকটি পানি শোধনাগারে হামলা চালানো হয় এবং সেগুলো ধ্বংস হয়ে যায় তাহলে ওই দেশে জাতীয় বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। শুরু হতে পারে তীব্র আন্দোলন এবং মানুষের মনে তৈরি করতে পারে ভীতি।
সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান দাবি করেছে, উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর সুপেয় পানির সবচেয়ে বড় হুমকি হলো ইরান। তাদের মতে এসব দেশের শঙ্কা ইরান তাদের পানি শোধনাগারে হামলা চালাতে পারে।
এ কারণে গত শনিবার যখন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, হরমুজ প্রণালীর কাছে কাশেম দ্বীপে তাদের একটি পানি শোধনাগারে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে, তখন পুরো বিশ্বে আতঙ্ক তৈরি হয়।
যুক্তরাষ্ট্র যদিও এ হামলার তথ্য অস্বীকার করেছে। কিন্তু ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমকির স্বরে জানান, মার্কিনিরা নতুন এ নজির স্থাপন করেছে। প্রয়োজন হলে তারাও এমনটি করবেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান







