ইরানে হামলায় অংশ নিচ্ছে ৫০ হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা

ইরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হামলা শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। তাদের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’ এবং ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ আজ পঞ্চম দিনে পদার্পণ করেছে। এই অভিযানে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা, ২০০টি যুদ্ধবিমান এবং দুটি বিমানবাহী রণতরী অংশ নিচ্ছে বলে জানিয়েছে  মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার। মঙ্গলবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা জানান।

কুপার জানান , আরো সামরিক সহয়তা পাঠানো হচ্ছে, যা কয়েক দশকের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক প্রস্তুতি। সম্ভাব্য হামলার উৎস ধ্বংসের লক্ষ্যে এই অভিযান চলছে।  মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইতোমধ্যে ইরানের প্রায় ২ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।তিনি আরো বলেন, আমরা পুরো ইরানি নৌবাহিনীকে ডুবিয়ে দিচ্ছি।

আরও পড়ুন:  গভীর রাতে পাকিস্তানে এরদোয়ান, লাল গালিচা সংবর্ধনা
এখন পর্যন্ত আমরা তাদের ১৭টি জাহাজ ধ্বংস করেছি। এর মধ্যে ইরানের অন্যতম প্রধান একটি সাবমেরিনও রয়েছে বলে জানা গেছে।এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৯ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক মধ্যপ্রাচ্য থেকে নিরাপদে ফিরেছেন। মার্কিন নাগরিকদের বিনামূল্যে সরিয়ে নেওয়ার জন্য বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
রিয়াদ ও কুয়েতে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলার পর কুয়েতের দূতাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।আনাদোলু এজেন্সির সংগৃহীত তথ্য এবং বিভিন্ন ওপেন-সোর্স গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, গত কয়েক দিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১৯০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের সামরিক সম্পদ হারিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *