ইরানে গণবিক্ষোভের বিরুদ্ধে দমন-পীড়ন জোরদার হওয়ার প্রেক্ষাপটে বিমানবাহী রণতরী ও তার সহগামী জাহাজগুলোকে এই অঞ্চলে মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরবর্তীতে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ থেকে সরে এসেছেন, তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে সব বিকল্প এখনো টেবিলে রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর দায়িত্বে থাকা ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, স্ট্রাইক গ্রুপটি বর্তমানে ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করতে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন রয়েছে’।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো অভিযোগ করেছে, ইন্টারনেট বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে কর্তৃপক্ষ নজিরবিহীন দমন অভিযান চালিয়েছে এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর সরাসরি গুলি চালিয়েছে।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ক্ষমতায় আসা ধর্মীয় নেতৃত্ব বিক্ষোভ সত্ত্বেও টিকে আছে।
তবে চলতি মাসের শুরুতে তিনি হামলার নির্দেশ দেওয়া থেকে সরে আসেন।
আব্রাহাম লিংকনের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি আরো বলেন, ‘এ ধরনের একটি যুদ্ধজাহাজের আগমন ইরানি জাতিকে রক্ষার ক্ষেত্রে ইরানের দৃঢ়তা ও সংকল্পে কোনো প্রভাব ফেলবে না।’







