৫ নভেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্প যদি হেরে যান, তা হলে নতুন প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ হবে না। এমনটাই আশঙ্কা করছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। খবর বিবিসির।
জুনে সিএনএনে প্রচারিত প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেটে ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, ‘আপনি কি ২০২৪-এর নির্বাচনের ফল মেনে নেবেন?’ শুরুতে এড়িয়ে গেলেও পরে জবাব দেন ট্রাম্প, ‘যদি এটি মুক্ত, নিরপেক্ষ ও আইনসঙ্গত নির্বাচন হয়, তা হলে অবশ্যই ফল মেনে নেব।’ এদিকে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস তার রানিংমেটকে সঙ্গে নিয়ে মিশিগানে প্রচারসভায় ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, যারা বলে আমেরিকার সংবিধানকে তারা ভূলণ্ঠিত করবে, তারা যেন কিছুতেই ক্ষমতায় না আসতে পারে, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
যত দিন পর্যন্ত বাইডেন ডেমোক্রেটিক পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থী ছিলেন, বিশ্লেষকদের মত ও জনমত জরিপে অনেকটাই এগিয়ে ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বাইডেন নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ায় পরিস্থিতি বদলেছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস প্রার্থিতা পাওয়ায় নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে জনপ্রিয়তার পাল্লা।
গত মাসে নির্বাচনী দৌড় থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার পর দেওয়া প্রথম সাক্ষাৎকারে সিবিএস নিউজকে বাইডেন তার এই আশঙ্কার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘যদি ট্রাম্প হেরে যায়, তাহলে (পরিস্থিতি কেমন হবে, তা নিয়ে) আমি খুব একটা আত্মবিশ্বাসী নই। (ট্রাম্প) যা বলে, সেটাই মনে মনে চিন্তা করে। আমরা তার কথাকে গুরুত্ব দেই না। কিন্তু তিনি এভাবেই ভাবেন। ট্রাম্প নিজ মুখে বলেছেন, ‘যদি আমরা হেরে যাই, তা হলে রক্তবন্যা বয়ে যাবে।’
গত মার্চে মার্কিন অটোমোবাইল খাত নিয়ে কথা বলার সময় ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। তার এই ‘রক্তবন্যা’ বইয়ে দেওয়ার মন্তব্যের জেরে দেশজুড়ে সমালোচনার বন্যা বয়ে যায়। তবে ট্রাম্পের প্রচার দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই মন্তব্যটি আলাদা করে শুধু অটোমোবাইল খাতের জন্য বলেছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট। প্রতিপক্ষরা প্রসঙ্গ উল্লেখ না করে এই শব্দটির অপব্যাখ্যা দিচ্ছে।
…….ডিডিজে নিউজ







