ব্যস্ত জীবনযাত্রা, বাইরের ফাস্টফুড খাওয়ার প্রবণতা, অনিয়মিত ডায়েট ও অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে আজকাল খুব কম বয়সীদের মধ্যেই কোলেস্টেরলের সমস্যা দেখা যাচ্ছে। সবচেয়ে চিন্তার বিষয় হলো, উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যাটি প্রথমদিকে বাইরে থেকে খুব একটা বোঝা যায় না।
ক্লান্তি ও শ্বাসকষ্ট : অকারণে অতিরিক্ত ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, সামান্য কাজেই হাঁপিয়ে যাওয়া এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।
কোলেস্টেরল বৃদ্ধির কারণ
অতিরিক্ত তেল-ঝাল ও চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া, ফাস্টফুড, ধূমপান, মদ্যপান, স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন, ডায়াবেটিস ও দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ এই সমস্যার মূল কারণ। এ ছাড়া অনেকের ক্ষেত্রে পারিবারিক বা বংশগত কারণেও কোলেস্টেরল বাড়তে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, শুধু লক্ষণ দেখে কোলেস্টেরল নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। তাই নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা (লিপিড প্রোফাইল) করানো খুব জরুরি। বিশেষ করে পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস থাকলে আরো বেশি সতর্ক হতে হবে। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা ব্যায়াম করা, খাবারে শাকসবজি ও ফলের পরিমাণ বাড়ানো, তেলেভাজা ও ফাস্টফুড পরিহার করা এবং ধূমপান পুরোপুরি এড়িয়ে চলা উচিত। সময়মতো সচেতন হলে এই বড় বিপদ থেকে শরীরকে মুক্ত রাখা সম্ভব।
সূত্র : আজকাল







