প্রায় দেড় যুগ পর চালু হওয়া প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল আগামী বৃহস্পতিবার প্রকাশ হওয়ার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। এর পরিবর্তে জুনের প্রথম সপ্তাহে ফল প্রকাশ হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন বিভাগের উপ-পরিচালক (সংস্থাপন) এ. এস. এম. সিরাজুদ্দোহা বলেন, ‘আমরা ২১ মে ফলাফল প্রকাশের পরিকল্পনা করেছিলাম। তবে তা সম্ভব হচ্ছে না। ঈদের পরে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। আশা করছি, জুনের প্রথম সপ্তাহে ফলাফল প্রকাশ করতে পারব।’
২০০৯ সালে প্রাথমিকের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধ করে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা চালু করা হয়। এ পাবলিক পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হতো। তবে করোনাভাইরাস মহামারীর জেরে ২০২০ সালে এ পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ কমাতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষাও বাতিল করা হয়।
বন্ধ হয়ে যাওয়ার ১৩ বছর পর ২০২২ সালে ডিসেম্বরে ফের ‘পরীক্ষামূলকভাবে’ প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। ওই ফলাফলের ভিত্তিতে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত ৮২ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়। গণঅভ্যুত্থানের পর গত বছর থেকে পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ফিরিয়ে আনার ‘নীতিগত সিদ্ধান্ত’ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। ওই বছরের শেষে এই পরীক্ষা নেওয়ার কথা ছিল। পরে মামলা জটিলতায় তা আটকে যায়। পরে চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল শুরু হয় বৃত্তি পরীক্ষা, শেষ হয় ১৮ এপ্রিল।
নীতিমালা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ এই দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি প্রদান করা হবে। মেধা তালিকায় ছাত্র ও ছাত্রীদের সমানুপাতিক হারে অর্থাৎ ৫০ শতাংশ করে নির্বাচন করা হবে। এছাড়া মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং অবশিষ্ট ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।







