১১৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। দলের বিপদে হাল ধরেন লিটন দাস। অভিজ্ঞ এই ব্যাটার এক প্রান্ত আগলে রেখে ব্যাটিং করলেও আরেক প্রান্তে আসা-যাওয়ার মিছিল! এমন ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়েও একাই লড়াই করছেন তিনি। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে তুলে নিয়েছেন ব্যক্তিগত সেঞ্চুরি। তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে লিটন খেলেছেন ১৩৫ বল। লাল বলে এটি তার ষষ্ঠ সেঞ্চুরি।
প্রথম ইনিংসে ৭০.২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান। ১০৩ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন লিটন। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন শরিফুল ইসলাম।
ব্যাটিংয়ে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। মুহাম্মদ আব্বাসের করা ইনিংসের প্রথম বলই লাইন মিস করেন জয়। তবে সেটি লেগ স্টাম্পের বাইরে হওয়ায় লেগ বিফোর থেকে বেঁচে যান। দ্বিতীয় বলে তিনি স্লিপে ক্যাচ দেন। তাতে রানের খাতা খোলার আগেই ফিরতে হয় এই ওপেনারকে।
শুরুর সেই ধাক্কা সামলে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন মুমিনুল-তানজিদ মিলে। ভালো শুরুর আভাস দিয়েও অভিষিক্ত ওপেনার তানজিদ ৩৪ বলে ২৬ রানে থামেন। তার বিদায়ে ভাঙে ৪৪ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি।
এরপর দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার মুমিনুল-শান্ত’র জুটি বেশিক্ষণ টিকেনি। খুররম শাহজাদের দারুণ এক ডেলিভারি মুমিনুলের ব্যাট ফাঁকি দিয়ে অফ স্টাম্প ভেঙে দেয়। ৬৩ রানে ৩ উইকেট হারালেও বাংলাদেশকে শক্ত ভিত গড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন শান্ত-মুশফিক। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা শান্ত উইকেটে থিতু হয়েও ফিরেছেন শট খেলতে গিয়ে দুটানায় পড়ে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে। তার ব্যাট থেকে আসে ২৯ রান।
এরপর মুশফিকও আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি। ৬৪ বলে ২৩ রান করে শাহজাদের বলে লেগ বিফোরের শিকার হয়েছেন তিনি। সাতে নেমে পুরোপুরি ব্যর্থ মেহেদি হাসান মিরাজ। ৪ রান করে তিনি ফিরলে ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারায় দল।
দলের এমন বিপদে হাল ধরেন লিটন। তাকে বেশ কিছুক্ষণ সঙ্গ দিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। মাত্র ১৬ রান করলেও তিনি বল খেলেছেন ৪০টি। যা সাহায্য করেছে আরেক প্রান্তে থাকা লিটনকে। তাইজুলের পর তাসকিনকে নিয়ে এগোনোর চেষ্টা করেন লিটন। তবে তাসকিন ১৩ বলের বেশি খেলতে পারেননি।







