দেশে ফিরল কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা রোটনের মরদেহ

২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে গিয়েছিলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন। প্রায় দুই বছর পর লাশ হয়ে দেশে ফিরলেন তিনি। ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত রোটন দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শনিবার সকাল সোয়া ৭টায় কলকাতার হাসপাতালে মারা যান।
রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল হয়ে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে তার মরদেহ বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
এ সময় সঙ্গে ছিলেন রোটনের স্ত্রী আরেফা সুলতানা। এপারে মরদেহ গ্রহণ করেন বড়ভাই নাসিমুল হায়দার চৌধুরী মিল্টন। পরে পুলিশি প্রহরায় মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকার উদ্দেশ্যে। মরদেহ হস্তান্তরের সময় পুলিশ, বিজিবি ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রোটনের স্ত্রী আরেফা সুলতানা জানান, রোটনের মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর পর জানাযা শেষে চট্টগ্রামের রাউজানে গ্রামের বাড়িতে নেয়া হবে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজার শেষে করা হবে দাফন।
মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। ২০২১ সালে তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক উপকমিটির সদস্য হন।
এদিকে, রোটনের মরদেহ দেশে আনা ঘিরে বেনাপোল স্থলবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। সকাল থেকে সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ এ প্রবেশপথে বাড়ানো হয় নজরদারি। সতর্ক অবস্থানে থাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

8 + twenty =