ইরানে টানা দশম রাতের মতো সামরিক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এবারের হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটির পাশাপাশি অন্যান্য সামরিক স্থাপনাগুলোকে মূল লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানকে স্পষ্টতই ‘প্রতিশোধ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা হলে আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
অতীতে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘমেয়াদি কোনো যুদ্ধে না জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে তার প্রশাসন এখন মার্কিন জনগণকে বোঝাচ্ছে যে, চলমান সম্প্রসারিত এই সামরিক অভিযান পুরোপুরি যৌক্তিক। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও, ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে এখন তা মুখ্য নয়। তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালিতে কথিত সন্ত্রাসবাদ এবং চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ইরানকে শাস্তি দেওয়া।
হোয়াইট হাউস সোমবার জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অন্য কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত ইরানে এই হামলা অব্যাহত থাকবে। তবে এর মধ্যেই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনাও চলমান রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে গত সপ্তাহান্তে ইরানের হামলায় একাধিক মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনায় চরম ক্ষুব্ধ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, প্রতিটি আমেরিকান সেনা হত্যার জন্য তেহরানকে বহুগুণ বেশি মূল্য চোকাতে হবে।







