মেসি ছাড়াই দেশে ফিরছেন আর্জেন্টাইনরা

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হতাশাজনক হারের পর নিরবেই দেশে ফিরছেন আর্জেন্টিনা দলের সদস্যরা। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মেসিসহ দলের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় এই ফিরতি ফ্লাইটে ছিলেন না।

আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন(এএফএ) আগের রাতেই জানিয়েছিল, দলের কয়েকজন সদস্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে রওনা হবেন। এর মধ্যে কেউ ক্লাবে যোগ দিতে, আবার কেউ বিশ্রামের সময় কাটাবে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

দেশটির গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইন্টার মায়ামিতে সতীর্থ অধিনায়ক লিওনেল মেসি এবং মিডফিল্ডার রদ্রিগো ডি পলের দেশে ফেরার কথা ছিল না। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেসিদের কোচ লিওনেল স্কালোনিও বুয়েনস এইরেসগামী ফ্লাইটে ছিলেন না।

অ্যারোলিনিয়াস আর্জেন্টিনাস এএফপি-কে জানিয়েছে, বিশ্বকাপ শেষে ফেরার পর আর্জেন্টিনার দলের জন্য কোনো সংবাদ সম্মেলন বা বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন রাখা হয়নি। ফাইনালে হারের কারণে হতাশ হলেও হাজার হাজার আর্জেন্টাইন বুয়েনস এইরেসের ঐতিহ্যবাহী উদযাপনের স্থান ‘ওবেলিস্ক’-এর দিকে ছুটে যান।

আরও পড়ুন:  বাংলাদেশকে ৭২৪ কোটি টাকার সহায়তা দেবে জার্মানি

সেখানে আতশবাজি ফোটানো এবং দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মধ্য দিয়ে তারা দীর্ঘ সময় ধরে উৎসব করেন। তবে গভীর রাতে ওই স্মৃতিস্তম্ভের কাছে ছোটখাটো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং পুলিশ উল্লাসকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান, কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ব্যবহার করে। পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, এ ঘটনায় ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে।

অনেকেই এএফপি-কে জানিয়েছিলেন, তারা দলকে স্বাগত জানাতে রাস্তায় নামার পরিকল্পনা করছেন। ফাইনালের পর প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই বিশ্বকাপে দলের পারফরম্যান্স উদযাপনের জন্য দলের সঙ্গে আলোচনা করে ভবিষ্যতে একটি দিনকে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করা হবে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু জানানো হয়নি।

এর আগে ২০২২ সালে কাতার জয়ের পর ‘আলবিসেলেস্তে’রা বীরোচিত সংবর্ধনা পেয়েছিল। সে সময় খোলা ছাদের বাসে তাদের ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ শোভাযাত্রার পথে লাখ লাখ মানুষ ভিড় করেছিল; কিন্তু জনসমুদ্রের কারণে বাসটি একপর্যায়ে থমকে যায় এবং নিরাপত্তার খাতিরে শোভাযাত্রাটি মাঝপথেই বাতিল করতে হয়েছিল।

আরও পড়ুন:  বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার নকআউট যাত্রা কতটা সহজ?

শেষ পর্যন্ত কয়েকজন খেলোয়াড় হেলিকপ্টারে করে মূল শোভাযাত্রার স্থানগুলোর ওপর দিয়ে ঘুরেছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

16 − fifteen =