যারা সন্ত্রাসী তাদেরকে শাস্তির আওতায় নিচ্ছি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি সংকুচিত হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ছয়টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন। এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, আমরা কোনো বিরোধী দলকে হয়রানি করছি না, নির্যাতন করছি না। যারা সন্ত্রাসী তাদেরকে শাস্তির আওতায় নিচ্ছি।

এর আগে মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) রবার্ট এফ কেনেডি হিউম্যান রাইটসের (আরএফকেএইচআর) ওয়েবসাইটে বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়। এদিন দোহা সফর শেষে দেশে ফিরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা কোনো বিরোধী দলকে হয়রানি করছি না, নির্যাতন করছি না। আমরা যারা সন্ত্রাসী, যারা মানুষের বাড়ি-ঘর জ্বালায়, জনগণের সম্পত্তি; বিশেষ করে, বাস, ট্রেন, ট্রাক জ্বালায়…। যারা মানুষকে মারছে তাদের আমরা শাস্তির আওতায় নিচ্ছি। আমরা কোনো রাজনৈতিক কারণে কাউকে হয়রানি করছি না। আমরা যাদের গ্রেপ্তার করছি তারা হচ্ছে সন্ত্রাসী। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স। আমরা আহ্বান করব-যারা সন্ত্রাসী কাযক্রম করছে, সেটা পরিহার করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হবেন।

আরও পড়ুন:  বাংলাদেশে এসে কাচ্চি খেতে খেতে ড. ইউনূসের সাক্ষাৎকার নিতে চান ময়ূখ

তিনি বলেন, আমি আরএফকেএইচআর এর প্রতিবেদন দেখি নাই। তবে মানবাধিকারে বাংলাদেশ আদর্শ। আপনি অন্যান্য দেশের সঙ্গে যদি তুলনা করেন, আমরা একটা আদর্শ দেশ। গাজায় কি ধরণের মানবাধিকার হচ্ছে? এমনকি অন্যান্য উন্নত দেশেও লোকজন ক্লাবে-স্কুলে মেরে ফেলে। আমাদের এখানে বিনা বিচারে কাউকে মারে না। আমাদের কাছ থেকে অন্যান্যদের মানবাধিকার এবং ন্যায়বিচারের বিষয়ে শিক্ষা নেওয়া দরকার।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক মধুর দাবি করে মন্ত্রী বলেন, তারা আমাদের বন্ধু বলেই উপদেশ দেয়। যেটা ভালো মনে হয় আমলে নেই, আর ভালো মনে না হলে গ্রহণ করি না। এজন্য তারা রাগও করে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *