সরাসরি ১৯২ আসনে বিজেপির জয় নিশ্চিত, তৃণমূল ৬৭

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, রাজ্যের ২৯৩টি আসনের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, বর্তমান শাসক দল অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) বেশ খানিকটা পিছিয়ে পড়েছে।

নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিজেপি এখন পর্যন্ত মোট ২০৭টি আসনে এগিয়ে আছে। এর মধ্যে দলটি ১৯২টি আসনে জয়ী হয়েছে এবং ১৫টি আসনে তাদের প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন।

অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস এখন পর্যন্ত মোট ৮০টি আসনে এগিয়ে আছে। এর মধ্যে তারা ৬৭টি আসনে জয়ী হয়েছে এবং ১৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিশাল জয়ের পথে রয়েছে বিজেপি। ২৯৪ আসনের এই বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য কোনো দলের প্রয়োজন ১৪৮ আসন, যা ইতিমধ্যে নিশ্চিত করেছে বিজেপি।

তথ্যসূত্র: দ্য হিন্দু

নিজের ঘরেই হারলেন মমতা, শুভেন্দুর বড় জয়

তিনি ভবানীপুরের ঘরের মেয়ে। অথচ সেই নিজের ঘরেই হার স্বীকার করতে হলো তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছিলেন তিনি, তখন তাঁকে পরাস্ত হতে হয়েছিল। এবার সেই নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরেও পরাজয় বরণ করলেন মমতা। তাঁকে হারালেন সেই শুভেন্দুই।

পাঁচ বছর আগের নন্দীগ্রামের লড়াইয়ে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে তিনি পরাজিত হয়েছিলেন ১ হাজার ৯৫৬ ভোটে। এবার সেই হারের ব্যবধান আরও বড় হলো। নন্দীগ্রামে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ের পাশাপাশি ভবানীপুরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করলেন বিরোধী দলনেতা।

ভবানীপুর আসনের ফল ঘোষণার আগেই নন্দীগ্রামের চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়। ভবানীপুর আসনের জয়ের সার্টিফিকেট হাতে নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘যাঁরা হিন্দুত্বের জন্য প্রাণ দিয়েছেন, এই জয় তাঁদের প্রতি উৎসর্গ করলাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানো খুব দরকার ছিল। এ বার তাঁর রাজনৈতিক সন্ন্যাস হয়ে গিয়েছে।’

আজ সোমবার গণনার শুরু থেকেই ছিল চূড়ান্ত উত্তেজনা। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস ছিল সকাল থেকেই। মোট ২০ রাউন্ডের গণনা ছিল, আর প্রতিটি রাউন্ডে ছিল স্নায়ুর চাপ। প্রথম রাউন্ডে মমতা এগিয়ে থাকলে দ্বিতীয় রাউন্ডে এগিয়ে যান শুভেন্দু। তৃতীয় রাউন্ডে আবার মমতা এগিয়ে যান। প্রথম দিকের বেশ কয়েকটি রাউন্ড এভাবেই চলে। তবে পঞ্চদশ রাউন্ড পর্যন্ত টানা এগিয়ে ছিলেন মমতা। কিন্তু সপ্তম রাউন্ড থেকে শুভেন্দু নিজের ভোটের ব্যবধান ক্রমাগত বাড়াতে শুরু করেন এবং ষোড়শ রাউন্ডে গিয়ে তিনি মমতাকে ছাপিয়ে যান।

সকালে শুভেন্দু নিজাম প্যালেসে নিজের দলীয় অফিসে গিয়ে সেখান থেকে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনাকেন্দ্রে পৌঁছান। তিনি আগেই জানিয়েছিলেন যে প্রথম দিকে পিছিয়ে থাকলেও পরে তিনি এগিয়ে যাবেন। অন্যদিকে, মমতা সকাল থেকে ছিলেন নিজের বাড়িতে। গণনার প্রাথমিক আভাসে দল পিছিয়ে থাকতে দেখে তিনি প্রার্থী ও কাউন্টিং এজেন্টদের উদ্দেশে ফেসবুকে বার্তা দিয়েছিলেন। দুপুরে দুজনেই সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনাকেন্দ্রে পৌঁছান এবং সন্ধ্যা পর্যন্ত সেখানেই ছিলেন।

গণনাকেন্দ্রের বাইরেও পরিস্থিতি ছিল উত্তপ্ত। দুপুরে সাখাওয়াতের অদূরে একটি পেট্রল পাম্পে বসে থাকা তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের পুলিশ সরিয়ে দেয়। এর কিছুক্ষণ পরেই উল্টো দিক থেকে বিজেপির একদল কর্মী-সমর্থক আসার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদেরও বাধা দেয়। অভিযোগ ওঠে, বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা তৃণমূলের পেতে রাখা চেয়ার ভাঙচুর করেছেন। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে মমতা গণনাকেন্দ্রে পৌঁছালে তাঁকে লক্ষ্য করে বিজেপির কর্মীরা ‘চোর চোর’ স্লোগান তোলেন।

আরও পড়ুন:  নুহাশপল্লীতে শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় হুমায়ূনকে স্মরণ

সন্ধ্যায় কয়েক রাউন্ড গণনা বাকি থাকতেই মমতা গণনাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসেন। ক্ষুব্ধ মমতা অভিযোগ করেন, ‘আমাকে ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছে না। পুরোটা একতরফা। ধাক্কা দিয়েছে, মেরেছে। সিআরপিএফের সামনে। আমি প্রার্থী, আমাকে ঢুকতে দেয়নি। এটা হচ্ছে দানবিক পার্টি। ১০০ টারও বেশি সিট লুট করেছে। এই নির্বাচন কমিশন হলো বিজেপি কমিশন।’ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ অগ্রবালের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুর ছিল মমতা-শুভেন্দু দ্বৈরথের দ্বিতীয় পর্ব। অনেকটা জেদ করেই শুভেন্দু ভবানীপুরে লড়তে চেয়েছিলেন। প্রার্থীতালিকা ঘোষণার পর থেকে দেড় মাস ধরে এই আসনটি ছিল রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। শুভেন্দুর মনোনয়ন পর্বে সঙ্গী হয়েছিলেন খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুভেন্দু ভবানীপুরের জন্য পৃথক ইশতেহারও প্রকাশ করেছিলেন।

অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্যজুড়ে প্রচারের জন্য ব্যস্ত থাকতে হয়েছিল। শেষবেলায় ভবানীপুরের প্রচারে তিনি পদযাত্রা ও জনসভা করেছেন, আবাসনে আবাসনে ঘুরে ছোট ছোট সভাও করেছেন। ভবানীপুরে মমতা মোট সাতটি জনসভা ও ছয়টি পদযাত্রা করেছেন। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে ঘরোয়া আলোচনাও করেছেন তিনি। আর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুরে ১০টি সভা, তিনটি মিছিল এবং একটি রোড শো করার পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগও করেছিলেন। সব মিলিয়ে সারা রাজ্যের নজর ছিল এই আসনের দিকে, যেখানে শেষ পর্যন্ত জয়ী হলেন শুভেন্দু অধিকারী।

সূত্র: আনন্দবাজার

১৪৫ আসনে জয়ী বিজেপি, তৃণমূলের ৫১

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, রাজ্যের ২৯৩টি আসনের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, বর্তমান শাসক দল অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) বেশ খানিকটা পিছিয়ে পড়েছে।

নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিজেপি এখন পর্যন্ত মোট ২০৮টি আসনে এগিয়ে আছে। এর মধ্যে দলটি ১৪৫টি আসনে জয়ী হয়েছে এবং ৬৩টি আসনে তাদের প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। বিজেপির জয়ী আসনগুলোর মধ্যে রয়েছে কালিম্পং, দার্জিলিং, মন্তেশ্বর, ভাতার, মেদিনীপুর এবং আসানসোল দক্ষিণ।

অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস এখন পর্যন্ত মোট ৭৯টি আসনে এগিয়ে আছে। এর মধ্যে তারা ৫১টি আসনে জয়ী হয়েছে এবং ২৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। তৃণমূলের জয়ী আসনগুলোর মধ্যে রয়েছে ভগবানগোলা, যেখানে দলের প্রার্থী রায়াত হোসেন সরকার তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৫৬ হাজার ৪০৭ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণের হার ছিল অভূতপূর্ব। প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত প্রথম ধাপে ৯২.৮ শতাংশ এবং ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ধাপে ৯১.৪৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গে এটিই সর্বোচ্চ ভোটদানের হার।

আরও পড়ুন:  নরেন্দ্র মোদীর শপথ অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ

উত্তপ্ত কলকাতা: মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে ‘চোর’ স্লোগান, বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন পরবর্তী গণনার দিন রণক্ষেত্রের রূপ নিয়েছে কলকাতা। সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে গণনাকেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছানো মাত্রই চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

সকাল থেকে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের বাইরে তৃণমূল ও বিজেপি সমর্থকদের ভিড় ছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর গাড়ি নিয়ে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করার সময় বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা তাঁকে লক্ষ্য করে ‘চোর চোর’ স্লোগান দেয়। ঘটনার আকস্মিকতায় পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা এর প্রতিবাদ করলে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয়।

গণনাকেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে তৃণমূল কর্মীদের জমায়েত নিয়ে আগেই অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। পুলিশ তৃণমূল কর্মীদের এলাকা ছাড়তে বললে তার কিছু পরেই এজেসি বোস রোড ধরে বিশাল মিছিল নিয়ে হাজির হন বিজেপি সমর্থকরা। এরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। চেয়ার ভাঙচুর এবং একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে।

বিক্ষুব্ধ এক বিজেপি সমর্থক বলেন, ‘২০২১ ও ২০২৪-এ আমাদের ওপর অনেক শোষণ করা হয়েছে। গণনাকেন্দ্রের এত কাছে ওরা অবৈধ জমায়েত করেছিল। বাংলার মানুষের উন্নয়ন না করে শুধু লুটেছে তৃণমূল। আর লুট করতে দেব না।’

অন্যদিকে, জগদীশচন্দ্র বোস কলেজের সামনেও ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়। কলেজের ভেতরে তৃণমূল সমর্থকেরা অবস্থান করলেও বাইরে লাঠি হাতে বিজেপি কর্মীদের মহড়া দিতে দেখা যায়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অনেক তৃণমূল সমর্থককে লুকিয়ে পালিয়ে যেতে দেখা যায়। তৃণমূল নেত্রী কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় ওই কলেজে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

বিজেপির একদল নারী কর্মী মিছিল করে নবান্নের সামনে পৌঁছে স্লোগান দিতে শুরু করলে প্রশাসন সতর্ক অবস্থান নেয়। পুলিশ দ্রুত তাঁদের সরিয়ে দিলেও সম্ভাব্য গোলযোগ এড়াতে নবান্নের নিরাপত্তা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গোটা এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

অধিকাংশ আসনে এগিয়ে বিজেপি, মমতার ভিডিও বার্তা

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে এখন পর্যন্ত ২৯৩ আসনের মধ্যে ১৯২টিতেই এগিয়ে আছে বিজেপি। আর তৃণমূল এগিয়ে আছে মাত্র ৯৬টি আসনে। এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিই সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ সমাজমাধ্যমে ভিডিয়োবার্তা দিয়ে মমতা বলেন, ‘দয়া করে কোনও (তৃণমূল) প্রার্থী এবং কাউন্টিং এজেন্ট গণনাকেন্দ্র ছেড়ে আসবেন না। এটা বিজেপির প্ল্যান (পরিকল্পনা)।’

তিনি বলেন, ‘আমি গতকাল থেকে বলছি, ওদের গুলো (এগিয়ে থাকা আসন) আগে দেখাবে। আমাদের গুলো পরে দেখাবে। অনেক জায়গায় কাউন্টিংয়ের পর বন্ধ করে রেখে দিয়েছে। কল্যাণীতে এমন সাতটি মেশিন ধরা পড়েছে, যেখানে কোনও মিলই নেই।’

আরও পড়ুন:  লেবানন থেকে অর্ধশতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলে

মমতা আরও বলেন, ‘কেন্দ্র জোর করে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে তৃণমূলের উপর অত্যাচার করছে। অফিস ভাঙছে। জোর করে দখল করছে। এসআইআরের নামে ভোট লুট করেছে।’

মমতার দাবি, এখনও তৃণমূল ১০০-র বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে। সেগুলো বলছে না কমিশন। তিনি বলেন, ‘ইলেকশন কমিশন নিজের ইচ্ছামতো খেলছে। সঙ্গে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আমাদের পুলিশরা মাথানত করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হয়ে কাজ করছে।’

দলের নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত করার বার্তা দিয়েছেন মমতা। তাঁর কথায়, ‘মনখারাপ করার কারণ নেই। আমি বলেছিলাম, সূর্যাস্তের পরে আপনারা জিতবেন। তিন-চার রাউন্ড সবে কাউন্ট হলো। এটা ১৮-১৯ রাউন্ড কাউন্ট হয়। তখন আপনারা জিতবেন। ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ। আপনারা সকলে জিতবেন। আমরা আপনাদের সঙ্গে রয়েছি।’

পরিশেষে মমতার বার্তা, ‘নিশ্চিন্তে থাকুন। আমরা বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করে যাব।’

তামিলনাড়ুতে চমক দেখাচ্ছেন থালাপতি বিজয়, কেরালায় এগিয়ে কংগ্রেস জোট

অন্যান্য রাজ্যের চিত্র:

আসামে ৯২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। এখন পর্যন্ত কংগ্রেস এগিয়ে ২৩টি আসনে।

কেরালায় এখন পর্যন্ত ৭১টি আসনে এগিয়ে কংগ্রেস জোট ইউডিএফ। বামেরা এগিয়ে ৩৮টি আসনে। ভারতের বামদের একমাত্র দুর্গ কেরালা সম্ভবত এবার হাতছাড়া হয়ে যাবে।

তামিলনাড়ুতে ডিএমকে-কে পেছনে ফেলল অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের দল। তামিলনাড়ুতে এখন পর্যন্ত ৬৯টি আসনে এগিয়ে টিভিকে।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ক্ষমতাসীন তৃণমূল ও বিরোধী বিজেপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। এখন পর্যন্ত ২৯৩ আসনের মধ্যে ২১১টি আসনের প্রাথমিক ফলাফলে বিজেপি ১০৫ আসনে এগিয়ে আছে, আর তৃণমূল এগিয়ে আছে ১০৩টি আসনে।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এগিয়ে, কেরালায় পিছিয়ে বামেরা

তামিলনাড়ুর বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন এগিয়ে। পেরাম্বুর আসনে এগিয়ে বিজয়। তবে ত্রিচিতে পিছিয়ে।

আসামের জালুকবাড়ি আসনে এগিয়ে হিমন্ত। জোরহাটে এগিয়ে কংগ্রেসের গৌরব গগৈ।

কেরালায় বাম দুর্গের পতনধ্বনী শোনা যাচ্ছে। প্রাথমিক গণনায় কেরালায় এগিয়ে কংগ্রেস জোট (ইউডিএএফ)। সমাজমাধ্যমে বায়ো থেকে ‘মুখ্যমন্ত্রীর’ পরিচয় মুছে ফেললেন পিনারাই বিজয়ন। ইভিএম গণনা শুরু হয়েছে। কেরালায় এগিয়ে কংগ্রেস জোট। প্রায় ২৫টি আসনে। ন’টি আসনে এগিয়ে বামেরা।

আসামের ফের বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মাই মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জোরালো ইঙ্গিত মিলছে।

অপরদিকে কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরিতে (এনআরসি) মুখ্যমন্ত্রী রঙ্গস্বামীর নেতৃত্বাধীন এনআরসি এগিয়ে, যে জোটে রয়েছে বিজেপি। প্রাথমিক গণনার পরে তেমনটাই দেখা যাচ্ছে।

তামিলনাড়ুতে প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে ডিএমকে। পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরু হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *