মহানায়িকাকে হারানোর এক যুগ

রূপ, অভিনয় এবং রহস্যময় ব্যক্তিত্বে যিনি বাঙালির চিরকালের মহানায়িকা হয়ে উঠেছিলেন, তিনি সুচিত্রা সেন। আজ ১৭ জানুয়ারি কিংবদন্তি এই নায়িকার দ্বাদশ মৃত্যুবার্ষিকী।

দিনটি উপলক্ষে পাবনার সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ, তাঁর পৈতৃক বাড়িতে শ্রদ্ধাঞ্জলি, আলোচনাসভা এবং বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

পাবনার জেলা প্রশাসক শাহেদ মোস্তফা জানান, সুচিত্রা সেনের মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে নানা আয়োজন করা হয়েছে।

তাঁর পৈতৃক বাড়ি নিয়ে সরকারের একটি পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জরুরি সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে বাড়িটির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তাঁর স্মৃতিকে চিরজাগরুক রাখার চেষ্টা চলছে।সুচিত্রা সেন ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল তৎকালীন বৃহত্তর পাবনার সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার সেনভাঙাবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

শৈশব ও কৈশোর কেটেছে পাবনার গোপালপুর মহল্লার হিমসাগর লেনের একতলা পাকাবাড়িতে। অভিনয় জীবনে আসার আগে তিনি বিয়ে করেছিলেন, যা সেই সময়ে চলচ্চিত্রের জগতে বিরল বিষয় ছিল।শুধু বাংলা নয়, হিন্দি চলচ্চিত্রেও সুচিত্রা সেনের অভিনয় ক্ষমতা ও প্রভাব সুপরিচিত। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে সাত পাকে বাঁধা, দীপ জ্বেলে যাই, রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত, দেবদাস এবং আন্ধি।

আরও পড়ুন:  আজ মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের দশম মৃত্যুবার্ষিকী
উত্তম কুমারের সঙ্গে গড়ে তোলা জুটি বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগের অন্যতম প্রভাবশালী জুটি হিসেবে আজও স্মরণীয়। কিন্তু ১৯৭৮ সালে শীর্ষে থাকা অবস্থায় তিনি চলচ্চিত্র থেকে দূরে সরে যান। দীর্ঘ সময় অন্তরালে থেকেও স্মৃতিতে, ভালোবাসায় এবং বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তিনি এখনো চিরস্থায়ী হয়ে আছেন।

২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *