৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী ৩০ জানুয়ারি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীসহ দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) থেকে জারীকৃত পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার তারিখ ও পরীক্ষার্থীদের জন্য ‘একগুচ্ছ’ গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরীন স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিতে এবং দৈবচয়ন ভিত্তিতে আসন বিন্যাস সাজানোর কারণে পরীক্ষার্থীদের আসন খুঁজে পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

এতে বলা হয়, নিজ আসন এবং কক্ষ চিহ্নিত করার জন্য পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে, অর্থাৎ সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে অবশ্যই সব পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। ৯টা ৩০ মিনিটের পর কোনো পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। বিষয়টি প্রবেশপত্র এবং পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনায় উল্লেখ রয়েছে।

আরও পড়ুন:  ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

একগুচ্ছ নির্দেশনা  

নির্দেশনায় পিএসসি জানিয়েছে, পরীক্ষা কেন্দ্রে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পিএসসি কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে।

পরীক্ষা হলে বেশ কিছু সামগ্রী আনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেগুলো হলো : সব ধরনের ঘড়ি (অ্যানালগ বা ডিজিটাল), মোবাইল ফোন ও সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, বই-পুস্তক ও ক্যালকুলেটর, ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ডসদৃশ কোনো ডিভাইস, গহনা, ব্রেসলেট, ব্যাগ ও মানিব্যাগ।

কমিশন জানিয়েছে, পরীক্ষার হলের গেটে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে প্রবেশপত্র ও মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি করে পরীক্ষার্থীদের ভেতরে প্রবেশ করানো হবে।

এ ছাড়া পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীদের কান খোলা রাখতে হবে; কানের ওপর কোনো আবরণ রাখা যাবে না।

বিশেষ প্রয়োজনে হিয়ারিং এইড ব্যবহারের জন্য আগে থেকেই কমিশনের অনুমতি নিতে হবে।কঠোর শাস্তি 

আরও পড়ুন:  ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা শুক্রবার

পিএসসি সতর্ক করে বলেছে, কোনো পরীক্ষার্থীর কাছে নিষিদ্ধ সামগ্রী পাওয়া গেলে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বিধিমালা-২০১৪ এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন-২০২৩ অনুযায়ী ওই প্রার্থীকে কমিশনের ভবিষ্যৎ সব নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা এবং বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

পরীক্ষার্থীদের ফোনে শিগগিরই খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে নির্দেশনাসমূহ পাঠানো হবে। এবারের হাজিরা তালিকায় রেজিস্ট্রেশন নম্বর জোড় ও বিজোড় এবং দৈবচয়ন ভিত্তিতে সাজানো হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

সূত্র : বাসস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two + ten =