দেশে সরকারি ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু

বাংলাদেশ ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার মধ্য দিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় ও সরকারি মালিকানাধীন ইসলামী ব্যাংক ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’-এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ বোর্ড সভায় নতুন এ ব্যাংকের অনুমোদন প্রদান করা হয়। সভায় সমস্যাগ্রস্ত পাঁচটি ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে গঠিত ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’কে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এর মাধ্যমে নতুন ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু করতে আর কোন বাধা থাকল না অর্থ মন্ত্রণালয়ের। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৯ নভেম্বর প্রাথমিক অনুমোদন দেয়া হয় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের। যেখানে আরজিএসসি থেকে কোম্পানি নাম ছাড়পত্র, ব্যাংকের চলতি হিসাব খোলাসহ ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিধিবিধান পূরণের দায়িত্ব পড়ে সরকারের ওপর।

আরও পড়ুন:  ৪৭তম বিসিএস প্রার্থীদের সঙ্গে শাহবাগে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই নতুন ব্যাংকটি পূর্ণাঙ্গ ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করবে। একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংক হলো- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক।

অনুমোদনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু করেছে। মতিঝিল অফিসে নতুন ব্যাংকের নির্ধারিত হিসাব খোলার কাজ ইতোমধ্যে চলছে। রাজধানীর মতিঝিলের সেনা কল্যাণ ভবনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, নতুন ব্যাংকটির মোট পেইড-আপ ক্যাপিটাল হবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিচ্ছে ২০ হাজার কোটি টাকা, আর বাকী ১৫ হাজার কোটি টাকা আসছে আমানতকারীদের শেয়ার থেকে। প্রাথমিকভাবে অনুমোদিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকা।

আরও পড়ুন:  ব্যাংক কর্মকর্তাদের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, একীভূত এই নতুন ব্যাংক ইসলামি ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *