গণমাধ্যমটি বলছে, এই নির্দেশের সময়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। শেষবার এমন মহড়া হয়েছিল ১৯৭১ সালে, যেই বছর ভারত ও পাকিস্তান দুই ফ্রন্টে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
চিঠিতে বলা হয়, ‘চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ব্ল্যাকআউট প্রক্রিয়া কার্যকর করার প্রস্তুতি ও সক্ষমতা যাচাই করতেই এই মহড়া আয়োজন করা হচ্ছে। এই সময় যথাযথ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
পেহেলগাম হামলার পর প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ভারত। ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার পর দেশটিতে এটাই সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা। আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিরক্ষাসচিব রাজেশ কুমার সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, যা ঘিরে জল্পনা ছড়িয়েছে যে ভারত কী ধরনের পাল্টা জবাব দিতে পারে। বৈঠকটি চলে প্রায় আধা ঘণ্টা।
এর আগেই তিনি বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল অমর প্রীত সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক পদক্ষেপ
এদিকে এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একাধিক কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। এর মধ্যে অন্যতম হলো ১৯৬০ সালের ইন্দাস পানিচুক্তি স্থগিত, যা ১৯৬৫, ১৯৭১ বা ১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধের সময়ও স্থগিত হয়নি। পাকিস্তানের ভারতীয় দূতাবাসে কর্মরত কূটনীতিকদের সংখ্যাও কমিয়ে আনা হয়েছে।
পানি সরবরাহ বন্ধ করলে সেটিকে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে পাকিস্তান। তারা বলেছে, যদি ভারত পানিচুক্তি স্থগিত করে, তাহলে তারা নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) সংক্রান্ত ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তি বাতিল করতে পারে। সিমলা চুক্তি বাতিল হলে, নিয়ন্ত্রণ রেখার বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন উঠে যাবে। ইতিমধ্যে ১১ দিন ধরে ২০০৩ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন হচ্ছে, যে চুক্তির লক্ষ্য ছিল সীমান্তে সংঘর্ষ থামিয়ে উত্তেজনা হ্রাস করা।







